সালমান মুক্তাদিরের উচিত ছিলো পুরো ঘটনা জেনে মন্তব্য করা: রাশেদ খাঁন
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শনিবার রাতে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরপর সালমান একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। সেখানে জানান, বিএনপির লোকজনকে চাঁদা দেওয়া হয়নি বলে স্টুডিও ভেঙেছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, সালমান পুরো ঘটনা না জেনে মন্তব্য করেছেন।
তিনি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিষয়টি জানান। তার ভাষ্যমতে, নিউগিনি প্রোপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দীন আওয়ামী ঘনিষ্ঠ, তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলাও চলছে। তার এই জমি নিয়ে বিরোধ ছিল আগে থেকেই।
তিনি লিখেছেন, ‘নিউ গিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেড ভেতরে দুপক্ষের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে সালমান মুক্তাদির স্টুডিওতে হামলা! নিউগিনি প্রোপার্টিজের সংলগ্ন সাবেক কিছু সরকারি কর্মকর্তার ২৩ কাঠা জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৮ কাঠা জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, অতীতে প্রভাব বিস্তার করে ৮ কাঠা জমি দখল করেছে নিউগিনি প্রোপার্টিজের মালিক আওয়ামী ঘনিষ্ঠ নাজিম উদ্দীন। যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় জেলও খেটেছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘অতিসম্প্রতি তার কাছ থেকে ৫০০০ স্কয়ার ফিট জায়গা ভাড়া নিয়ে স্টুডিও করেছে সালমান মুক্তাদির। নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেডের মালিক নাজিম উদ্দীন অতিসম্প্রতি এমনভাবে ৩টা নতুন গেট দিয়েছে, যাতে ভেতরে অন্য জমির মালিকরা ঢুকতে না পারেন। দখলের উদ্দেশ্যে এমন করেছে বলে সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি। যে কারণে তারাও ক্ষুব্ধ হয়ে লোকজন ভাড়া করে গেট ভাঙতে গিয়ে নাজিম উদ্দীনের সম্পদ মনে করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভেঙেছে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। সরকারি সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারত, তা না করে পাল্টা পেশিশক্তি দেখাতে গিয়ে পুরোপুরি বিএনপির ওপর দায় চাপিয়ে দিতে একপ্রকার সহযোগিতা করেছে!’
পুরো ঘটনার সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই, দাবি রাশেদের। তিনি বলেন, ‘দখল ও পাল্টা দখলের সাথে বিএনপির কিংবা কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানে পরে যারা ইসলামী ব্যাংক দখল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সম্পদ নিজেদের দাবি করে দখল করা শুরু করেছিল, তারাই আজকে সব ঘটনায় বিএনপিকে দোষারোপ করে ভিলেন বানাতে অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। সালমান মুক্তাদিরের উচিত ছিল, পুরো ঘটনা জেনে তারপর মন্তব্য করা, কিন্তু তিনি সব পক্ষের সাথে কথা না বলে বিএনপির লোকজনকে চাঁদা দেয় নি বলে স্টুডিও ভেঙেছে মর্মে বক্তব্য দিলেন! আশা করি, এবার তিনি সত্যতা তুলে ধরবেন। আমরা জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের সাথে ঘটে যাওয়ার জন্য ব্যথিত। ইনশাআল্লাহ, দোষীরা যথাযথ শাস্তি পাবে এবং তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।’
