Logo
Logo
×

Advertisement

দৃষ্টিপাত

বিলুপ্তির পথে উচ্চ মাধ্যমিকের ব্যবসায় শিক্ষা শাখা

Advertisement

Icon

মো. আব্দুর রাজ্জাক

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম

বিলুপ্তির পথে উচ্চ মাধ্যমিকের ব্যবসায় শিক্ষা শাখা

ফাইল ছবি

Advertisement

ঢাকা উদ্যান সরকারি কলেজের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির পরিসংখ্যান সাম্প্রতিক একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে। এ বছর কলেজটিতে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তি হয়েছে মাত্র ৫২ জন শিক্ষার্থী, যেখানে বিজ্ঞান শাখায় ১১২ জন এবং মানবিক শাখায় ২৮৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। অথচ পূর্ববর্তী ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষেই ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৪২ জন (বিজ্ঞান শাখায় ২৫০ জন ও মানবিক শাখায় ৩০০ জন)।

অর্থাৎ, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এ কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তির হার নেমে এসেছে ২১ শতাংশে— শিক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৭৯ শতাংশ! এ পরিসংখ্যান শুধু ঢাকা উদ্যান কলেজ নয় সারা দেশের ব্যবসায় শিক্ষা শাখার চিত্র তুলে ধরেছে।

ঢাকা শহরসহ সারা দেশে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তির হার এক তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে, হ্রাস পেয়ে গড়ে প্রায় ৭৫%। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে, গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার হার (৪২%) বেশি থাকা এবং এ বছর সার্বিক পাশের হার হ্রাস পাওয়াই এর প্রধান কারণ। কিন্তু মাঠপর্যায়ের তথ্য এবং শ্রেণিকক্ষে দীর্ঘ ১৭ বছরের পাঠদানের অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সমস্যাটি কেবল একটি পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর নয়; বরং অনেকগুলো গভীর ও গুরুতর সংকট একযোগে প্রভাব ফেলছে।

এইচএসসি পর্যায়ে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার এ আশঙ্কাজনক ধস কেবল একটি নির্দিষ্ট কলেজের চিত্র নয়, এটি সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার একটি প্রতিনিধি চিত্র। যেভাবে শিক্ষার্থীরা এ বিভাগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, তাতে অনতিব দূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

নিচে শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা ধ্বংসের প্রধান কারণগুলো চিহ্নিত করা হলো:

১. সিলেবাসের চরম অনিয়ম ও অতিমাত্রায় তাত্ত্বিক বোঝাই

এইচএসসি পর্যায়ের হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংকিং ও বিমা বিষয়গুলোর সিলেবাসে স্নাতক (অনার্স) ও স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যায়ের জটিল অধ্যায়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের সামর্থ্যের কথা বিবেচনা না করে এভাবে সিলেবাস বিশাল ও ভারাক্রান্ত করে তোলা হয়েছে।

২. পাঠদান নির্দেশনার জাতীয় ভুল

উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণিতেই হিসাববিজ্ঞান প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র একসঙ্গে পড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ২০১৮ সাল থেকে। হিসাববিজ্ঞান পুরোটাই একটি প্রক্রিয়া হওয়ায় প্রথমপত্র পড়ানো শেষ না করে দ্বিতীয়পত্র পড়ানো ও পড়া কঠিন ব্যাপার। এটি একটি কৌশলগত ও নীতিগত ভুল, যা প্রারম্ভিক অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষয়টির প্রতি ভয় ও ভীতি তৈরি করছে।

৩. অপ্রতুল ক্লাশ ও শিক্ষণ সময়

হিসাববিজ্ঞানের মতো গাণিতিক ও প্র্যাকটিক্যাল বিষয়ের সিলেবাস শেষ করতে সারা বছর যে পরিমাণ ক্লাশের প্রয়োজন হয়, বিভিন্ন জাতীয় দিবস, ছুটি এবং প্রশাসনিক স্থবিরতার কারণে তা অনুষ্ঠিত হয় না। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় ক্লাশেল সংখ্যা মারাত্মক কম হয়।

৪. বাণিজ্যিক মনোভাব ও ক্লাশে অবহেলা

কোনো কোনো শিক্ষকের অতি-বাণিজ্যিক মানসিকতার কারণে শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের একাংশ অভিযোগ করে যে, শ্রেণিকক্ষে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা না পেয়ে তাদের বাইরে প্রাইভেট বা কোচিংয়ের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে।

৫. শিক্ষক সংকট ও অগোছালো পাঠদান পদ্ধতি

অনেক কলেজে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের তীব্র সংকট রয়েছে। কোথাও কোনো শিক্ষক নেই, আবার কোথাও সপ্তাহে ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষক একই বিষয়ের ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায় পড়াচ্ছেন। একসঙ্গে ৪-৫টি অধ্যায় ৪/৫ জন শিক্ষকের অধীনে পড়া হিসাববিজ্ঞানের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুধাবন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

৬. শ্রেণিবিমুখতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতায় ঝরে পড়া

সামগ্রিকভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। শুধু পরীক্ষা নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ফলে বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিংমুখী হতে হচ্ছে। কিন্তু বাড়তি পড়ালেখার ব্যয় বহন করতে না পেরে অনেক দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থী মাঝপথেই পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে বা মানবিক বিভাগে চলে যাচ্ছে। অধিকাংশ অধ্যক্ষ অকৃতকার্যতার সুযোগ নিয়ে লাখ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করছেন। শিক্ষার্থীদের উপর আর্থিক চাপ চরমে পৌঁছেছে।

৭. কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তাহীনতা ও শিল্পখাতের সঙ্গে দূরত্বের অভাব

ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় পড়ে ব্যাংক, বিমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির কোনো নিশ্চয়তা বর্তমানে মিলছে না। বাংলাদেশের জাতীয় চাকরির বাজার ও শিল্পখাতের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে প্রথাগত ব্যবসায় শিক্ষা কারিকুলামের কোনো সংযোগ বা যোগসূত্র নেই।

৮. আধুনিক সফটওয়্যার ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার অনুপস্থিতি

বর্তমান যুগে আধুনিক হিসাববিজ্ঞান পুরোপুরি সফটওয়্যারনির্ভর (যেমন Tally, QuickBooks, SAP)। কিন্তু আমাদের সিলেবাস পুরোপুরি বইয়ের থিওরি ও সনাতন পদ্ধতিতে সীমাবদ্ধ। আধুনিক কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতা না থাকায় ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও বেকারের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।

৯. দক্ষ শিক্ষক ও বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণের অভাব

ব্যবসায় শিক্ষা শাখার এ জটিল ও নতুন সিলেবাস পড়ানোর মতো দক্ষ শিক্ষকের সংখ্যা অপ্রতুল। শিক্ষকদের মানোন্নয়নে বিষয়ভিত্তিক আধুনিক প্রশিক্ষণের জরুরি উদ্যোগ নেই বললেই চলে।

১০. আধুনিক শ্রেণিকক্ষের অবকাঠামোগত অভাব

বাংলাদেশে ব্যবসায় শিক্ষার আধুনিক রূপরেখা বা কেস-স্টাডিভিত্তিক পাঠদানের উপযোগী বিশেষায়িত ও আধুনিক শ্রেণিকক্ষের তীব্র অভাব রয়েছে।

১১. সরকারি অনুদান ও বিনিয়োগে বৈষম্য

ব্যবসায় শিক্ষা শাখার উন্নয়ন ও গবেষণায় সরকারি বিনিয়োগ অত্যন্ত নগণ্য। মানবিক বা সাধারণ বিষয়ের মতো একইভাবে দেখলে গাণিতিক ও প্রয়োগমুখী ব্যবসায় শিক্ষা টিকে থাকতে পারে না।

১২. জাতীয় প্রচার-প্রচারণা ও সচেতনতার শূন্যতা

ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, ক্যারিয়ারের সুযোগ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব তুলে ধরে সরকারি বা বেসরকারি স্তরে কোনো প্রচারণা ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ চোখে পড়ে না।

১৩. সৃজনশীল মূল্যায়ন পদ্ধতির কৌশলগত ভুল

হিসাববিজ্ঞানের মতো গাণিতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়ে তথাকথিত ‘সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতি’ প্রয়োগ করা একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ইতিহাস বা সমাজবিজ্ঞানের মূল্যায়নের কাঠামোর সঙ্গে রসায়ন, পদার্থ কিংবা গাণিতিক হিসাববিজ্ঞানকে মেলানো যায় না। হিসাববিজ্ঞানকে তার নিজস্ব যুক্তিনির্ভর ধারায় মূল্যায়ন না করায় পরীক্ষা পদ্ধতিতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

১৪. বিশেষ প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের অনুপস্থিতি

অন্যান্য শাখার তুলনায় ব্যবসায় শিক্ষা শাখা কিংবা হিসাববিজ্ঞানকে আকর্ষণীয় করার জন্য আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আলাদা কোনো প্রণোদনা বা বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

১৫. ব্যবহারিক (Practical) নম্বরের অভাব

বাস্তবধর্মী ব্যাংকিং ও বহুজাতিক কোম্পানিতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের কাজের ওপর ভিত্তি করে হিসাববিজ্ঞানে অন্তত ২৫% ব্যবহারিক মার্কস যুক্ত করা জরুরি ছিল। কিন্তু জাতীয় শিক্ষাবিদ ও নীতি নির্ধারকদের মধ্যে এ ভাবনা বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

১৬. অধ্যক্ষরা কারিকুলামে অনুমোদিত পরীক্ষার বাহিরের উচ্চ হারে ফি গ্রহণ করে অননুমোদিত প্রশ্নকাঠামোতে অননুমোদিত পরীক্ষা গ্রহণ ও পাশ ফেল ঘোষণা, বারবার জরিমানা আদায় করে সম্পূরক পরীক্ষা গ্রহণ, চাপসৃষ্টি শিক্ষার্থীদের মনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এমন কী অননুমোদিত অর্থআদায় চলছে বার্ষিক পরিকল্পনা প্রকাশ করেই! এসব কারণে চাপে পড়েছে কমার্সের শিক্ষার্থীরা। অথচ হিসাববিজ্ঞানের মূল শিক্ষাই হচ্ছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের প্রয়োগিক জ্ঞান অর্জন।

ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক এ হ্রাস জাতীয় অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে যদি এভাবে প্রতিনিয়ত ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থী হ্রাস পেতে থাকে, তবে নিকট ভবিষ্যতে এ শাখা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। এর সার্বিক প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের মূল জাতীয় অর্থনীতিতে।

দক্ষ জনবলের তীব্র সংকট: দেশের ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোতে হিসাবরক্ষণ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে স্থানীয় দক্ষ জনবলের মারাত্মক ঘাটতি দেখা দেবে।

বিদেশনির্ভরতা ও অর্থ পাচার: দেশীয় দক্ষ মানবসম্পদের অভাবে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক, বিমা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি এবং শিল্পকারখানার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা (যেমন CEO, CFO, HR Lead) পদে বিদেশিদের নিয়োগ দিতে হবে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে বাইরে চলে যাবে।

প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা হ্রাস: দেশের সামগ্রিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক খাত কাঠামোগতভাবে ভেঙে পড়বে এবং বিদেশি নির্ভরতা দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলবে।

উত্তরণের উপায় ও জরুরি করণীয়

এ অদূর ভবিষ্যৎ সংকট থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখাকে পুনরায় পুনরুজ্জীবিত করতে অবিলম্বে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা জরুরি:

১. সিলেবাস পুনর্বিন্যাস: উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সিলেবাস থেকে স্নাতক পর্যায়ের জটিল অধ্যায়গুলো বাদ দিয়ে যুগের উপযোগী, সহজ ও ব্যবহারিক বিষয়ভিত্তিক কারিকুলাম তৈরি করা।

২. পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কার: হিসাববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তথাকথিত সৃজনশীল মূল্যায়ন পর্যালোচনা করে গাণিতিক ও যুক্তিনির্ভর পরীক্ষা পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তন করা।

৩. ২৫% ব্যবহারিক নম্বর যুক্তকরণ: কম্পিউটারাইজড একাউন্টিং, ব্যাংকিং সফটওয়্যার এবং বাস্তবসম্মত ফিন্যান্সিয়াল কেস স্টাডির ওপর ২৫% নম্বর নির্ধারণ করা।

৪. শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন: প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি কলেজে ব্যবসায় শিক্ষার আধুনিক শ্রেণিকক্ষ তৈরি করা এবং শিক্ষকদের নিয়মিত আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ দেওয়া।

৫. শিল্প খাত ও শিক্ষাব্যবস্থার মেলবন্ধন (Industry-Academia Linkage): ব্যাংক, বিমা ও করপোরেট হাউসগুলোর সঙ্গে চুক্তি করে ব্যবসায় শিক্ষা শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করা।

৬. জাতীয় সেমিনার ও সচেতনতা সৃষ্টি: শিক্ষাবিদ, আর্থিক নীতি-নির্ধারক, মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞ এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধানদের সমন্বয়ে জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় সভা, ওয়ার্কশপ ও সেমিনারের আয়োজন করে সংকট নিরসনে নীতিগত পথনকশা (Roadmap) চূড়ান্ত করা।

আজই যদি এ বিষয়ে সঠিক ও কার্যকর সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়, তবে আগামী দিনে দেশের অর্থনীতি ও করপোরেট খাত এক অভূতপূর্ব মানবসম্পদ সংকটে পড়বে। এখনই সময় ব্যবসায় শিক্ষা শাখাকে বাঁচিয়ে তোলার স্বার্থে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করার।

লেখক: ৩৪তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সদস্য

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন ও Culinary Tourism-এর প্রভাব!

ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন ও Culinary Tourism-এর প্রভাব!

রেমিট্যান্সের হিসাব আছে, প্রবাসীর জীবনের হিসাব কোথায়?

রেমিট্যান্সের হিসাব আছে, প্রবাসীর জীবনের হিসাব কোথায়?

একটি বিরলপ্রজ ভাষণে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর

একটি বিরলপ্রজ ভাষণে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর

বিলুপ্তির পথে উচ্চ মাধ্যমিকের ব্যবসায় শিক্ষা শাখা

বিলুপ্তির পথে উচ্চ মাধ্যমিকের ব্যবসায় শিক্ষা শাখা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম