Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

‘২০০ শতাংশ শুল্কের ভয়ে যুদ্ধে জড়ায়নি ভারত-পাকিস্তান’

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:০১ পিএম

‘২০০ শতাংশ শুল্কের ভয়ে যুদ্ধে জড়ায়নি ভারত-পাকিস্তান’

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ২০২৫ সালের সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আবারও বিতর্কিত দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনে ‘বোর্ড অব পিস’ ইভেন্টে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি দাবি করেন, গত বছর এই দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের যুদ্ধ থামাতে তিনি উভয় দেশকে ২০০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের ভাষায়, টাকার চেয়ে বড় কিছু নেই; যখন তারা দেখল অনেক টাকা লোকসান হবে, তখনই তারা যুদ্ধ থামাতে রাজি হলো।

এই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানানোর অনুরোধ করে এক বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন এবং দাবি করেন যে শাহবাজ শরিফ নিজেই তাকে বলেছেন যে ট্রাম্পের মধ্যস্থতা অন্তত ২৫ মিলিয়ন (আড়াই কোটি) মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। 

ট্রাম্প আরও বলেন, যুদ্ধের সময় দুই দেশের অন্তত ১১টি অত্যন্ত দামী যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই সংখ্যাটি ট্রাম্প বারবার পরিবর্তন করেছেন—প্রথমে ৫টি, তারপর ৮টি, ১০টি এবং এখন তিনি ১১টি বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার দাবি করছেন।

তবে ভারত শুরু থেকেই ট্রাম্পের এই মধ্যস্থতার দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পর যে অস্ত্রবিরতি হয়েছিল, তা ছিল দুই দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস-এর সরাসরি আলোচনার ফসল, কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ নয়। ভারতীয় বিমান বাহিনীও তাদের কতগুলো বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে সে বিষয়ে ট্রাম্পের দেওয়া সংখ্যার সাথে একমত নয় এবং কোনো পাইলটের মৃত্যুর খবরও তারা নিশ্চিত করেনি।

২০২৫ সালের ৭ মে ভারতের পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে পাকিস্তানে বিমান হামলা চালালে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়েছিল। ট্রাম্পের দাবি, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন এবং তার চাপের মুখেই দুই দেশ যুদ্ধ থেকে সরে আসে। 

তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক এবং ভারতীয় কূটনীতিকরা ট্রাম্পের এই অতিরঞ্জিত দাবিকে তার নিজস্ব প্রচারণার অংশ হিসেবেই দেখছেন।

সূত্র: এনডিটিভি।


Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম