Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

এবার প্যারিস ফ্যাশন উইকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ডিজাইনার ১০ বছর বয়সি ম্যাক্স

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম

এবার প্যারিস ফ্যাশন উইকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ডিজাইনার ১০ বছর বয়সি ম্যাক্স

প্যারিস ফ্যাশন উইকে খুদে ডিজাইনার ম্যাক্স। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ফ্যাশন জগতের প্রতি ভালোবাসা থাকলে খুদে ডিজাইনার ম্যাক্সের গল্প আপনাকে অনুপ্রাণিত করবেই। মাত্র ১০ বছর বয়সেই ম্যাক্স তার অনন্য মেধা দিয়ে একটি নয়, বরং দুটি বিশ্ব রেকর্ড নিজের নামে করে নিয়েছে।

ম্যাক্স মাত্র ৭ বছর বয়সে বিশ্বের কনিষ্ঠতম ‘রানওয়ে ফ্যাশন ডিজাইনার’ হিসেবে প্রথম বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল। এবার প্যারিস ফ্যাশন উইকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ডিজাইনার হিসেবে শো করার মাধ্যমে সে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের পাতায় দ্বিতীয়বারের মতো নিজের নাম লিখিয়েছে।

উল্লেখ্য, প্যারিস ফ্যাশন উইক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ফ্যাশন ইভেন্ট, যেখানে নামিদামি ডিজাইনাররা তাদের নতুন পোশাক ও শিল্পকর্ম প্রদর্শন করেন।

প্যারিস ফ্যাশন উইকে ম্যাক্সের সংগ্রহে ছিল ১৫টি ভিন্নধর্মী পোশাক। তার এই ডিজাইনের মূল প্রেরণা ছিল ফুল, কল্পনাশক্তি এবং সৃজনশীল পুনর্ব্যবহার (Creative Recycling)। ম্যাক্সের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল- পরিবেশ রক্ষা বা ‘সাসটেইনেবিলিটি’।

তার সংগ্রহের মধ্যে আশির দশকের পুরনো একটি বিয়ের পোশাককে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। পুরনো কাপড়, ব্যাগ এবং উদ্ভিজ্জ পচনশীল ফেব্রিক ব্যবহার করা হয়েছে। তার ব্যবহার করা পোশাকের প্রায় ৯০ শতাংশই তৈরি হয়েছে অবিক্রীত বা ফেলে দেওয়া কাপড় থেকে, যা অন্যথায় ল্যান্ডফিলে বর্জ্য হিসেবে জমা হতো।

সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্স বলে, ‘আমার সংগ্রহের ৯০ শতাংশই পচনশীল এবং টেকসই। আমি এমন সব কাপড় উদ্ধার করেছি যা কোম্পানিগুলো আর ব্যবহার করত না।’

বৈশ্বিক স্বীকৃতি 

ফ্যাশন বর্জ্য রোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ম্যাক্সকে জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে সে পোশাক শিল্পের অতিরিক্ত উৎপাদন কীভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে, তা নিয়ে কথা বলে।

ম্যাক্সের মা জানান, মাত্র ৪ বছর বয়স থেকেই সে ডিজাইনার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ৫০ লক্ষাধিক (৫ মিলিয়ন) অনুসারী রয়েছে, যারা নিয়মিত তার সৃজনশীল কাজের প্রশংসা করেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম