Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

ইরানের কোন ‘শীর্ষ ব্যক্তি’র সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র, গুঞ্জন যে ৫ জনকে নিয়ে

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

ইরানের কোন ‘শীর্ষ ব্যক্তি’র সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র, গুঞ্জন যে ৫ জনকে নিয়ে

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় দেশটির একজন ‘শীর্ষ ব্যক্তি’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প/ফাইল ছবি

Advertisement

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় দেশটির একজন ‘শীর্ষ ব্যক্তি’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ওই ব্যক্তি ইরানি ব্যবস্থায় ‘সবচেয়ে সম্মানিত’ এবং তিনি ‘শীর্ষ পর্যায়ের’ কেউ। তবে ট্রাম্প নাম প্রকাশ করেননি। তিনি বলেছেন, ‘আমি চাই না তিনি নিহত হন।’

ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, এই ব্যক্তি নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি নন। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর দিন তার বাবা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তিনি এই পদে বসেছেন। গত সপ্তাহে জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি ইসরাইলি হামলায় নিহত হওয়ার পর থেকে সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের দিকে সবার দৃষ্টি পড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সম্ভাব্য পাঁচজন ব্যক্তি এই আলোচনায় থাকতে পারেন।

মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ
সংসদ স্পিকার গালিবাফকে অনেক বিশ্লেষক যুদ্ধকালীন ইরানের কার্যত প্রধান নেতা হিসেবে দেখছেন। তিন দশক ধরে তিনি বিপ্লবী গার্ডের মহাকাশ বাহিনীর কমান্ডার, তেহরানের পুলিশ প্রধান, মেয়র এবং এখন সংসদ স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি তিনবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়িয়েও জিততে পারেননি। ইসরাইলি গণমাধ্যমে তাকে মার্কিন আলোচক হিসেবে চিহ্নিত করার পর তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি’ এবং এটাকে ‘ভুয়া খবর’ বলেছেন।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
২০২৪ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন পেজেশকিয়ান। তিনি ইরানের রাজনীতির তুলনামূলক মধ্যপন্থি অংশের প্রতিনিধি। তবে ইরানের ব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ নন, সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ নেতার। এই মাসের শুরুতে তিনি ফিলিস্তিনের পক্ষে একটি গণসমাবেশে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে সেলফি তুলেছিলেন। সেই একই অনুষ্ঠানে লারিজানিও ছিলেন, যিনি কয়েক দিন পরেই নিহত হন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি
অভিজ্ঞ কূটনীতিক আরাগচি ২০২৪ সাল থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। যুদ্ধ শুরুর আগে ওমানে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জেরেড কুশনারের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি। নিউ ইয়র্ক টাইমস মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আরাগচি ও উইটকফের মধ্যে সম্প্রতি ‘সরাসরি যোগাযোগ’ হয়েছে, যা ইরানি কর্মকর্তাদের মতে মূলত ‘উত্তেজনা কমানোর পথ খোঁজার প্রাথমিক আলোচনা’।

বিপ্লবী গার্ডের প্রধান আহমাদ ভাহিদি
সাবেক স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভাহিদি এক বছরেরও কম সময়ে বিপ্লবী গার্ডের তৃতীয় প্রধান হয়েছেন। তার আগের দুই প্রধান এই যুদ্ধেই নিহত হয়েছেন। সম্ভবত এই কারণে তিনি খুব কম প্রকাশ্যে এসেছেন। ১৯ মার্চ শুধু একটি বিবৃতি দিয়েছেন, যেখানে বাসিজ মিলিশিয়ার কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।

কুদস বাহিনীর কমান্ডার ইসমাইল ঘানি
২০২০ সালে ইরাকে মার্কিন হামলায় কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার পর বিপ্লবী গার্ডের বৈদেশিক অভিযানের দায়িত্ব নেন ঘানি। ২০২৫ সালের জুনে তাকে নিহত হওয়ার খবর এসেছিল, পরে তিনি আবার প্রকাশ্যে আসেন। তার অবস্থান ও ভূমিকা নিয়ে এখনও নানা জল্পনা রয়েছে।

সূত্র- জিওনিউজ

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম