Logo
Logo
×
   

আন্তর্জাতিক

উদ্বেগ ছড়াচ্ছে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট, কতটা বিপজ্জনক

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

উদ্বেগ ছড়াচ্ছে করোনার ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্ট, কতটা বিপজ্জনক

বিএ.৩.২’এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর স্পাইক প্রোটিনে বিপুল সংখ্যক মিউটেশন। সংগৃহীত ছবি

বিশ্বজুড়ে আবারও আলোচনায় কোভিড-১৯। নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে উচ্চমাত্রায় মিউটেশনযুক্ত ভ্যারিয়েন্ট বিএ.৩.২। এটি ‘সিকাডা’ নামেও পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভ্যারিয়েন্ট।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএ.৩.২’এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর স্পাইক প্রোটিনে বিপুল সংখ্যক মিউটেশন। এই পরিবর্তন ভাইরাসটিকে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কাছে কিছুটা ‘অপরিচিত’ করে তুলতে পারে। ফলে ভ্যাকসিন বা আগের সংক্রমণ থেকে পাওয়া সুরক্ষা আংশিকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে আশার খবর হচ্ছে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে এই ভ্যারিয়েন্ট আগেরগুলোর তুলনায় বেশি মারাত্মক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেখতে ভয়ঙ্কর হলেও বাস্তবে এর প্রভাব এখনো সীমিত।

২০২৫ সালের শেষ দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে ‘পর্যবেক্ষণাধীন ভ্যারিয়েন্ট’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। বর্তমানে এটি অন্তত ২৩টি দেশে শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশে সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে ২৫টি অঙ্গরাজ্যে বিএ.৩.২ শনাক্ত হয়েছে। তবে এখনো এটি প্রধান ভ্যারিয়েন্ট হয়ে ওঠেনি এবং বড় ধরনের সংক্রমণ ঢেউও সৃষ্টি করেনি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড ভাইরাসের মিউটেশন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাই নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসতেই পারে। তবে বর্তমান ভ্যাকসিন এখনো গুরুতর অসুস্থতা প্রতিরোধে কার্যকর।

এদিকে সাধারণ মানুষের জন্য পরামর্শ—লক্ষণ দেখা দিলে পরীক্ষা করা, অসুস্থ অবস্থায় ঘরে থাকা এবং ভিড়পূর্ণ স্থানে মাস্ক ব্যবহার করা।

বিশ্বজুড়ে পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বিএ.৩.২ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সতর্ক নজর রাখছে জনস্বাস্থ্য সংস্থাগুলো। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, এটি এখনো বড় হুমকি নয়, তবে অবহেলারও সুযোগ নেই।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম