Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম

কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

উপসাগরীয় অঞ্চলে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় চার মার্কিন সেনা এবং তিনজন বেসামরিক ঠিকাদারসহ মোট সাতজন আহত হয়েছেন। 

ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই হামলার দায় স্বীকার করে জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের বন্দর আব্বাস বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন বিমান হামলার জবাবে তারা এই প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। 

আইআরজিসির মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাগারি জানান, বন্দর আব্বাসে মার্কিন হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর স্থানীয় সময় ভোর ৪:৫০ মিনিটে এই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। অবশ্য মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও দাবি করেছে যে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছিল।

এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির কাছে সিরিক দ্বীপের একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন হামলার জবাবে আরেকটি সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আঘাত হানার দাবি করেছে আইআরজিসি। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স সেই মার্কিন ঘাঁটিটি লক্ষ্য করে সফল হামলা চালিয়েছে, যেখান থেকে সিরিক দ্বীপে অভিযান চালানো হয়েছিল। 

তেহরান স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার এবং এর জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী থাকবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইল যৌথ জোটের সাথে ইরানের যে সংঘাত শুরু হয়েছিল এবং যার প্রেক্ষিতে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল, মূলত সেই ধারাবাহিকতারই নতুন রূপ এই সাম্প্রতিক হামলা। গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি।

এদিকে, এই নতুন উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির বিষয়ে বেশ আশাবাদী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আসলে আমেরিকার সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী। 

তিনি উল্লেখ করেন, ইরান সত্যিই চুক্তি করতে চায়, যা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং তার আঞ্চলিক সহযোগী দেশগুলোর জন্যই মঙ্গল বয়ে আনবে। একই সাথে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কট্টর অবস্থান নেওয়া মার্কিন বিরোধী দল ও নিজের শিবিরের সমালোচকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে একে ‘অনর্থক কিচিরমিচির’ বলে আখ্যা দেন। 

ট্রাম্প সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিস্থিতি যেভাবে চলছে তা দেখতে থাকুন, শেষ পর্যন্ত সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। বর্তমানে যুদ্ধবিরতিটিকে একটি স্থায়ী রাজনৈতিক চুক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরান একে অপরের কাছে বিভিন্ন প্রস্তাব আদান-প্রদান করছে।

সূত্র: প্যালেস্টাইন ক্রনিকল।


Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম