Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

ইরানের হুমকির পর কমল তেলের দাম

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম

ইরানের হুমকির পর কমল তেলের দাম

হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণার পর তেলের দাম বেড়েছিল। সংগৃহীত ছবি

Advertisement

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শেষে তেলের বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। ইরান জানিয়েছে, তারা তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিলতার নিশ্চয়তা পেয়েছে। 

এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমে যাওয়ায় সোমবার (২২ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

গতকাল বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৫৩ ডলার বা ১.৯০ শতাংশ কমে ৭৯.০৪ ডলারে নেমে আসে। তবে লেনদেনের শুরুতে দাম বেড়ে ৮২.৩০ ডলারে উঠেছিল। কারণ তখন ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি ছুঁড়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের জুলাই চুক্তির দাম ব্যারেলপ্রতি ৭ সেন্ট কমে ৭৬.৫৩ ডলারে দাঁড়ায়। আগস্ট চুক্তির দাম ৫৫ সেন্ট কমে ৭৫.৩০ ডলারে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ছুটির কারণে শুক্রবার বাজারে কোনো নিষ্পত্তি (সেটেলমেন্ট) হয়নি।

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার বৈঠক শেষে মধ্যস্থতাকারীরা জানান, উচ্চপর্যায়ের মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা আলোচনা শেষ করেছেন। গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে এপ্রিল থেকে কার্যকর থাকা নাজুক যুদ্ধবিরতি আরও অন্তত ৬০ দিন বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই আলোচনা শুরু হয়েছিল।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, তার দেশ তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলতার পাশাপাশি কিছু জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি এবং ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা চালুর বিষয়ে অগ্রগতি অর্জন করেছে।

বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, এ সপ্তাহের শেষ দিকে মার্কিন-ইরান আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। উভয় পক্ষ একটি উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটি গঠনে সম্মত হয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপ বাস্তবে কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর চলমান উত্তেজনা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম