Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

পরীক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াংকা গান্ধীর

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৪ এএম

পরীক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াংকা গান্ধীর

কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াংকা গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ভারতের পরীক্ষা সংস্কারবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটিকে অন্তর্ভুক্ত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াংকা গান্ধী। তাকে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ বলে কটাক্ষ করে তিনি জানতে চান, পরীক্ষা সংস্কার কমিটিতে এমন একজনকে কেন রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) লোকসভায় প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধ আইনের সংশোধনী বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গঠিত নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সের সমালোচনা করেন প্রিয়াংকা।

তিনি বলেন, কমিটিতে সাবেক গোয়েন্দা প্রধান তপন ডেকা, সাবেক ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ, সাবেক শিক্ষা সচিব অনিতা কারওয়াল ও সাবেক বিহার মুখ্যসচিব অমৃত লাল মীনার মতো সদস্যদের পাশাপাশি ভি কামাকোটিকেও রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালে গোমূত্রের ‘অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল’ ও ‘অ্যান্টিফাঙ্গাল’ গুণাগুণ নিয়ে মন্তব্য করার প্রসঙ্গ টেনে তাকে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় সদ্য নিয়োগ পাওয়া কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকেও আক্রমণ করেন প্রিয়াংকা। তিনি বলেন, বিলকিস বানো মামলার দণ্ডপ্রাপ্তদের মুক্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়া একজনকে শিক্ষামন্ত্রী করা হয়েছে, যা দেশের মেয়েদের জন্য ভুল বার্তা বহন করে।

প্রিয়াংকার এ মন্তব্যের পর সংসদে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগ করেন, এটি সংসদের ভেতরে চরিত্রহননের শামিল এবং বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীও প্রিয়াংকার বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ দাবি করেন।

স্পিকার ওম বিড়লা তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এমন মন্তব্য না করার নির্দেশ দেন। জবাবে প্রিয়াংকা বলেন, তিনি তার বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করবেন।

পরে প্রিয়াংকার শিক্ষামন্ত্রী-সংক্রান্ত মন্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়।

বিতর্কে প্রিয়াংকা আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালে প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধ আইন কার্যকর হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধীর শাস্তি হয়নি। গত এক দশকে ১৫২টি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রায় সাড়ে সাত কোটি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সূত্র: দ্যা প্রিন্ট

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম