Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে ওমানকে যে প্রস্তাব দিল ইরান

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০ পিএম

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে ওমানকে যে প্রস্তাব দিল ইরান

Advertisement

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার জন্য ওমানকে একটি অস্থায়ী ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। নতুন এই প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রণালির একমুখী নৌচলাচল সম্পূর্ণভাবে ইরানি জলসীমার মধ্য দিয়ে যাবে এবং বিপরীতমুখী রুটের কিছু অংশও ইরানি জলসীমার ভেতরে থাকবে। 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি।

গারিবাবাদি বলেন, দুই দেশের মধ্যে নৌচলাচল পথ সমানভাবে ভাগ করার জন্য ওমানের দেওয়া একটি প্রস্তাব তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে। দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই ধরণের পরিকল্পনা তেহরানের নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান করে না বলে জানান তিনি। 

তিনি স্পষ্টভাবে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাস্কাট যদি ইরানের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। তেহরান কখনোই ওমান উপকূলের দক্ষিণ রুটকে স্বীকৃতি দেয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, তেহরান মাস্কাটের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছে যে তারা আর ‘ট্রাফিক সেপারেশন স্কিম’ মেনে চলছে না। 

তিনি যুক্তি দেন, প্রণালির প্রায় মাঝামাঝি অবস্থিত এই নৌপথের বেশিরভাগ অংশই ওমানের জলসীমার মধ্যে পড়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আক্রমণের পর যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি রাখার যে প্রয়োজন তেহরানের তৈরি হয়েছে, বর্তমান এই পথটি তার পরিপন্থী। 

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) কর্তৃক গৃহীত এই ট্রাফিক সেপারেশন স্কিম বা টিএসএস বর্তমানে মাইনের ঝুঁকির কারণে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এটি ইরানের উত্তর রুট এবং ওমানের দক্ষিণ রুট দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। 

গারিবাবাদি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে করা হচ্ছে, কোনো ধরনের ক্ষমতার দাপট দেখানোর জন্য নয়। কারণ গত ৬০ বছর ধরে যখন টিএসএস ওমানের জলসীমায় ছিল, তখন আমরা কোনো আপত্তি জানাইনি।’ 

ইরানি এই কূটনীতিক আরও সতর্ক করে বলেন, ওমানের আমন্ত্রণে আসলেও তেহরান কোনো তৃতীয় দেশকে হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণ করার অনুমতি দেবে না। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম