Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

নরেন্দ্র মোদির কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন আপত্তিকর মন্তব্য করা তরুণী

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৯ এএম

নরেন্দ্র মোদির কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন আপত্তিকর মন্তব্য করা তরুণী

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থী আন্দোলনের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও অবমাননাকর স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত তরুণীর একটি ক্ষমা প্রার্থনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে ওই তরুণীকে হাতজোড় করে নিজের ভুলের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করতে দেখা যায়। 

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে ডোরাকাটা টি-শার্ট পরা তরুণীকে বলতে শোনা যায়, ‘আন্দোলনস্থলে কিছু মানুষের প্ররোচনায় পড়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অনেক খারাপ কথা বলে ফেলেছিলাম।’ 

উল্লেখ্য, পুলিশের দায়ের করা এজাহারে অভিযুক্তের বয়স ২৫ বছর উল্লেখ করা হলেও, ভিডিওতে ওই তরুণী দাবি করেন যে তিনি নাবালিকা। 

ওই তরুণীর ভাষ্য, ‘আমার বয়স মাত্র ১৫ বছর। আমি যা করেছি তা ক্ষমার যোগ্য নয়। এটি আমার প্রথম ও শেষ ভুল। আমি পুরো দেশের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আমি অত্যন্ত লজ্জিত এবং নিজের মুখ দেখতে পারছি না। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ 

তবে প্রচারমাধ্যম সূত্রে জানানো হয়েছে, এই ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। 

এদিকে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এক বার্তা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তরুণীর এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসে। প্রধানমন্ত্রী তার ভিডিও বার্তায় ক্ষোভ বা শাস্তির বদলে এই তরুণদের সুপথে ফেরানোর জোর আহ্বান জানিয়েছিলেন।

প্রকাশিত ওই বার্তায় মোদি বলেছিলেন, ‘শৈশব বা কৈশোরে ভুল হয়েই থাকে, আর সেই ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগও এই বয়সই দেয়। সমাজজুড়ে ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু এখন সময় এই সন্তানদের বুকে টেনে সঠিক পথ দেখানোর। ওদের শাস্তি দেওয়া বা আদালতে টেনে হয়রানি করলে পরিস্থিতির বদল হবে না।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ওদের ক্ষমা করে দিতে চাই এবং সমাজকেও এটি মেনে নেওয়ার অনুরোধ করছি। গালিগালাজ কখনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না।’ 

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুলাই যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত ছাত্র বিক্ষোভের পর ওই তরুণীর বিরুদ্ধে সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত করা ও মানহানির অভিযোগে নয়ডার একটি থানায় ‘জিরো এফআইআর’ দায়ের করা হয়, যা পরবর্তীতে দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী ও অভিযুক্ত তরুণী—উভয়ের পক্ষ থেকেই এই বক্তব্য ও ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা সামনে এলো।  

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম