Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

মাঝপথেই বন্ধ হলো যুক্তরাষ্ট্র-দ. কোরিয়া সামরিক মহড়া, নেপথ্যে কী কারণ?

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম

মাঝপথেই বন্ধ হলো যুক্তরাষ্ট্র-দ. কোরিয়া সামরিক মহড়া, নেপথ্যে কী কারণ?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেন্টাগনকে এই মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নির্দেশ দেন। এই মহড়াকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি অনুপযুক্ত ও শত্রুতামূলক বলে অভিহিত করে তিনি বলেছেন, তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ব্যয়বহুল। ট্রাম্পের এই ঘোষণা তার মিত্রদেরও বিস্মিত করেছে। খবর বিবিসি বাংলার।

শুক্রবার আকস্মিকভাবেই শেষ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক মহড়া।

তার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়ার ১৮ হাজার সেনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের আরও ১১টি মিত্র দেশের সেনাদের অংশগ্রহণে 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' নামের এই মহড়া চলমান অবস্থায় মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন সিদ্ধান্তটিকে পারস্পরিক সমঝোতার ফল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে, মহড়া কমিয়ে আনার বিষয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের কথা দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা আগে থেকে জানতেন না।

দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা এই বার্ষিক সামরিক মহড়াকে দুই দেশের জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করে।

যদিও উত্তর কোরিয়াকে শান্তি আলোচনায় আনতে দক্ষিণ কোরিয়া অতীতে মহড়া কমানো বা স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে, তবে ট্রাম্পের একতরফা ও আকস্মিকভাবে মার্কিন সেনাদের আগেই সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত মিত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার আস্থার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো জো বি-ইউন।

এখন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ট্রাম্প হয়তো আরও এক ধাপ এগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন করা ২৭ হাজার মার্কিন সেনার সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারেন। এমনকি মিত্র দেশটির সঙ্গে কোনো পরামর্শ ছাড়াই উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার দীর্ঘদিনের নীতিও যুক্তরাষ্ট্র পরিত্যাগ করতে পারে।

এই পদক্ষেপে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে তাইওয়ান ও জাপানের মতো দেশেও। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর দেশ দুটি দীর্ঘদিন ধরে নির্ভর করে আসছে।

এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোর জন্যও দক্ষিণ কোরিয়ার সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এ বছরের শেষের দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং আনের সঙ্গে তার বৈঠক হতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক উপায়ে কিমের সঙ্গে ট্রাম্পের যোগাযোগকে স্বাগত জানিয়ে আসছে। তবে এর বিনিময়ে অর্থ ও ইরানে সামরিক সহায়তার দাবি আসুক—এটা তারা চাইত না।

গবেষক জো বি-ইউনের দৃষ্টিতে, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়ার খুব বেশি কিছু করার সুযোগ নেই। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের জোট এখন জীবন-মরণের বিষয়।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

একযোগে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশের দূতাবাস থেকে সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

একযোগে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশের দূতাবাস থেকে সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

এবার ইলহান ওমরের পাশে দাঁড়ালেন বারাক ওবামা

এবার ইলহান ওমরের পাশে দাঁড়ালেন বারাক ওবামা

ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের

ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প

ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প

ফ্রান্সের সহিংস বিক্ষোভের জন্য অভিবাসনকে দায়ী করলেন ট্রাম্প

ফ্রান্সের সহিংস বিক্ষোভের জন্য অভিবাসনকে দায়ী করলেন ট্রাম্প

আরও পড়ুন

‘ভারত বাংলাদেশ নয়, আবার ফ্রান্সও নয়’

‘ভারত বাংলাদেশ নয়, আবার ফ্রান্সও নয়’

একযোগে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশের দূতাবাস থেকে সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

একযোগে মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশের দূতাবাস থেকে সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

শেষ রক্ষা হলো না শ্রফের ওপর ৩ হামলাকারীর, যেভাবে ধরা পড়লেন, কারা তারা

শেষ রক্ষা হলো না শ্রফের ওপর ৩ হামলাকারীর, যেভাবে ধরা পড়লেন, কারা তারা

পাকিস্তানে ঐতিহাসিক রামলীলা মন্দির বন্ধ ঘোষণা

পাকিস্তানে ঐতিহাসিক রামলীলা মন্দির বন্ধ ঘোষণা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম