ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা,বাড়ছে উত্তেজনা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
তাইজ ও হোদেইদা প্রদেশের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ১৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। ছবি: সংগহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলের তাইজ ও হোদেইদা প্রদেশের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ১৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। ইয়েমেনের সরকারি সশস্ত্র বাহিনীর মিডিয়া সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলুর
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে মিডিয়া সেন্টার জানায়, তাইজ ফ্রন্টে বেশ কয়েকটি ড্রোন এবং পশ্চিম উপকূলের বিভিন্ন এলাকার আকাশে আরও কিছু ড্রোন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে।
সামরিক সূত্রটি ইয়েমেনি বাহিনীর ‘উচ্চ যুদ্ধ প্রস্তুতি’ বজায় রাখার প্রশংসা করে জানিয়েছে, সেনাদের মনোবল শক্ত রয়েছে। বিভিন্ন এলাকার সামরিক ইউনিটগুলোও সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
সূত্রটি আরও জানায়, হুথিদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পশ্চিম উপকূলে মোতায়েন থাকা ইয়েমেনি বাহিনীর কোনো অবস্থানে আঘাত হানতে পারেনি।
এদিকে পশ্চিম তাইজ প্রদেশের আল-বারহ ফ্রন্টের আল-কাদাহা এলাকায় হুথিদের হামলার উৎস ও হুমকি দমন করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনি বাহিনী। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে পালটাপালটি স্থলযুদ্ধও হয়েছে।
ইয়েমেনে প্রায় ১২ বছর ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যে ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। তবে সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে মারিব, আল-জাওফ, আল-দালেয়া ও তাইজসহ বিভিন্ন প্রদেশে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানী সানা ও দেশের বেশ কিছু শহর ও প্রদেশ নিয়ন্ত্রণ করছে হুথিরা।
দীর্ঘদিনের এই সংঘাতের কারণে ইয়েমেন এখনো বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারকে সৌদি নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমর্থন করছে। অন্যদিকে, হুথিদের পেছনে ইরানের সমর্থন রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
এদিকে, গত জুলাইয়ে হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমুদ্র অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে বলে জানা গেছে।


