Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

বন্যায় ভাসছে বিহার, ১৪ জেলা প্লাবিত, পানিবন্দি ৪০ লাখ মানুষ

Advertisement

Icon

কলকাতা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম

বন্যায় ভাসছে বিহার, ১৪ জেলা প্লাবিত, পানিবন্দি ৪০ লাখ মানুষ

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে ভারতের বিহার। এরই মধ্যে রাজ্যের ১৪টি জেলা প্লাবিত হয়েছে। গঙ্গাসহ একাধিক নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যায় এখন পর্যন্ত ৪০ লাখ ২১ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিহার রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর।

দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বন্যার প্রভাবে ৮৪টি ব্লকের ৫১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত পাঁচ দিনের টানা বৃষ্টিতে রাজ্যের নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। এর সঙ্গে নেপালে ভারী বৃষ্টির কারণে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

বিহার আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত রাজ্যে প্রায় ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি। আগামী দুই দিনও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার তালিকায় রয়েছে পাটনা, ভোজপুর, সারণ, বৈশালী, ভাগলপুর, বেগুসরাই, বক্সর, সমস্তিপুর, মুঙ্গের, কটিহার, লখিসরাই, খাগাড়িয়া, পূর্ণিয়া ও অরওয়াল।

ভাগলপুরের সুলতানগঞ্জে গঙ্গার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। একইভাবে গণ্ডক, কোশী, বুড়ি গণ্ডক, পুনপুন, বাগমতী ও ঘাঘরা নদীর পানিও বিভিন্ন এলাকায় বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ২৭টি দল এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১০টি দল মাঠে নামানো হয়েছে। দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকাজের পাশাপাশি ত্রাণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

বন্যার্তদের জন্য ৭২৩টি গণরান্নাঘর চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৫টি ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার ৪৪৬ জনকে দুর্গত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নদীগুলোর পানির স্তর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আগামী দুই দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

নেপালে ভারী বৃষ্টির প্রভাব এবং বিহারে অব্যাহত বর্ষণ একসঙ্গে পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। ফলে আগামী কয়েক দিন বিহারের বন্যা পরিস্থিতি প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম