একাধিক ধমনী বন্ধ, দ্বিতীয় বাইপাসে সুস্থ ৬৪ বছরের নারী
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০২০ সালে ভারতের নাগপুরে প্রথমবার বাইপাস হার্ট সার্জারি করিয়েছিলেন ৬৪ বছর বয়সি স্নেহলতা বালারাম। প্রায় ছয় বছর পরও আবারো বুকে ব্যথা শুরু হলে পরীক্ষা করে দেখা যায়, আগের অস্ত্রোপচারে বসানো বাইপাস গ্রাফটগুলোর মধ্যে একটি ছাড়া প্রায় সবগুলোতে আবার ব্লক তৈরি হয়েছে।
পাশাপাশি তার হৃদযন্ত্রের বাইরে ক্যারোটিড, মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী, দুই হাতের সাবক্ল্যাভিয়ান ধমনী, কিডনির রোনাল ধমনী এবং দুই পায়ের ইলিয়াক ধমনীতেও ব্লক পাওয়া যায়।
পরিবার তাকে মুম্বাইয়ের এশিয়ান হার্ট ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে চিকিৎসকরা জানান, নতুন বাইপাসের জন্য হাতের ধমনী ব্যবহার করা সম্ভব ছিল না। একই সঙ্গে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও পায়ে গ্যাংগ্রিনের ঝুঁকিও ছিল। আগের অস্ত্রোপচারের কারণে তার হৃদযন্ত্র বুকের হাড়ের সঙ্গে শক্তভাবে লেগে থাকায় দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারও ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
অস্ত্রোপচারকারী দলের নেতৃত্বে থাকা ডা. রামাকান্ত পান্ডা বলেন, গ্রাফটিং বা প্রতিস্থাপনের জন্য খুব কম সংখ্যক রক্তনালী পাওয়ায় আমরা সত্যিই চিন্তিত ছিলাম।
গত ১৬ মে চিকিৎসকরা ‘রি-ডু’ বাইপাস সার্জারি করেন। বুকের দেয়াল থেকে হৃদযন্ত্র আলাদা করে সচল হৃদযন্ত্রেই তিনটি বাইপাস গ্রাফট বসানো হয়। পরে দুই কিডনি ও দুই পায়ের ধমনীর ব্লক দূর করতে স্টেন্টিং করা হয়।
অস্ত্রোপচারের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন স্নেহলতা। আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে নেওয়ার পর বড় কোনো জটিলতা ছাড়াই তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
স্নেহলতা বলরামের ঘটনা প্রমাণ করে-জটিল হৃদরোগের ক্ষেত্রেও অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব।
