Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

রয়টার্সের বিশ্লেষণ

সাত বছর পর ভারতে শি জিনপিং, সম্পর্কে নতুন আশার আলো

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম

সাত বছর পর ভারতে শি জিনপিং, সম্পর্কে নতুন আশার আলো

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

দীর্ঘ সাত বছর পর ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি সফরে এসেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তার এই আগমন দুই প্রতিবেশী পরাশক্তির মধ্যকার কূটনৈতিক বরফ গলাতে কিছুটা সাহায্য করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

তবে রাজনীতিতে ইতিবাচক সংকেত মিললেও উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে অবিশ্বাসের দেয়াল এখনই সরছে না। 

রাজনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে ২০২০ সালের সীমান্ত সংঘাতের পর ভারত-চীন সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছিল। তবে সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চীন সফর এবং যুক্তরাষ্ট্রের অস্থির বাণিজ্যনীতির মুখে দুই দেশ সম্পর্ক জোড়া লাগাতে উদ্যোগী হয়েছে। 

দিল্লিভিত্তিক গবেষক হর্ষ পান্তের মতে, দুই দেশের মধ্যে আস্থার যে বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে চীন নিজের অর্থনৈতিক শক্তির সুযোগ নিতে পারে। অন্যদিকে চীনা বিশ্লেষক লিন মিনওয়াং মনে করেন, চীন সম্পর্কের উন্নতি চাইলেও ভারত কতটা ছাড় দিতে প্রস্তুত, তা দেখতে অপেক্ষা করছে। 



রাজনৈতিক সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হলেও অর্থনৈতিক স্তরে দুই দেশই এখনও চরম সতর্ক অবস্থান মেনে চলছে। ভারতের সীমান্ত সংঘাতের পর চীনা বিনিয়োগে কড়াকড়ি আরোপের পর অতি সম্প্রতি ইলেকট্রনিক্স ও নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে সামান্য ছাড় দেওয়া হলেও শীর্ষ চীনা গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘বিওয়াইডি’ এবং ‘গ্রেট ওয়াল মোটরস’-এর বিনিয়োগ প্রস্তাব আটকে রয়েছে। এমনকি নিরাপত্তা উদ্বেগের অজুহাতে চীনের ‘অ্যালিপে’ সেবা ব্যবহারের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ভারত। 

পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে চীনও নিজের দেশের প্রযুক্তি ও শিল্প যন্ত্রপাতি ভারতে পাঠাতে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করছে। ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার কথা বলা হলেও ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চীনা ভিসা পেতে বিলম্ব হচ্ছে, এবং সৌর প্যানেল ও অবকাঠামোর প্রয়োজনীয় ভারী চীনা যন্ত্রপাতি কাস্টমসে আটকে দেওয়া হচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞ অজয় শ্রীবাস্তব জানান, এটি কেবল প্রশাসনিক জটিলতা নয়, বরং ভারত যেন প্রযুক্তির দিক থেকে চীনের ওপর নির্ভর করে থাকে, সেই রাজনৈতিক কৌশল। 

তবে চলতি দিল্লি সফরে নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে এই বাণিজ্যিক জট কিছুটা হলেও আলগা হতে পারে বলে আশাবাদী ভারতের সাবেক বাণিজ্য কর্মকর্তারা।


Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম