হরমুজে হামলা নিয়ে উদ্বেগ, সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখার আহ্বান মোদির
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ এএম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতের নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের বিজনেস ফোরামে তিনি বলেছেন, ‘নিরাপদ সমুদ্রপথ, সচল সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নাবিকদের নিরাপত্তা ছাড়া বৈশ্বিক বাণিজ্যের অগ্রগতি সম্ভব নয়।’
সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি জাহাজে হামলার ঘটনা, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কেন্দ্র হয়ে ওঠা হরমুজ প্রণালিতে হামলার প্রসঙ্গেই মোদি এ বক্তব্য দেন।
মোদি বলেন, ভারত সবসময় নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং নাবিকদের নিরাপত্তার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে আসছে।
ব্রিকস দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তির কথাও তুলে ধরেন মোদি। তিনি বলেন, বর্তমানে ব্রিকস দেশগুলো বিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, বৈশ্বিক জিডিপির ৪০ শতাংশ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ২৫ শতাংশের বেশি তাদের দখলে।
তার ভাষ্য, গত কয়েক বছরে বৈশ্বিক জিডিপি প্রায় আড়াই গুণ বাড়লেও ব্রিকস দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি বেড়েছে প্রায় সাড়ে চার গুণ। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির তুলনায় ব্রিকসের অর্থনৈতিক শক্তি প্রায় দ্বিগুণ গতিতে বেড়েছে।
মোদি আরও বলেন, ব্রিকস দেশগুলো এখন বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও নতুন প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উঠে আসছে।
ভারত বাণিজ্যিক বাধা কমিয়ে ব্যবসার সুযোগ বাড়াতে কাজ করছে বলেও জানান মোদি। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ৪০টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করছে ভারত।
ব্রিকসের বর্তমান সভাপতিত্বের আওতায় কৃষি, স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও স্মার্ট গ্রিডের মতো খাতে নতুন সহযোগিতা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কথাও জানান তিনি।
স্টার্টআপ ও ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসাগুলোকে বাজার ও অর্থায়নের সুযোগ করে দিতে ব্রিকস ইনকিউবেটর নেটওয়ার্ক, ব্রিকস এমএসএমই পোর্টাল, ব্রিকস স্টার্টআপ ইনোভেশন ফান্ড চালুর কথাও উল্লেখ করেন মোদি।
অন্যদিকে, ভারতের নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন মোদি।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় মোদি বলেন, সংঘাত নিরসনের একমাত্র পথ হলো সংলাপ ও কূটনীতি।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি


