Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

ধর্ষণ মামলায় দণ্ডিত সাবেক এমপির ফোনে মিলল ডজনখানেক পর্ন ভিডিও

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১০ পিএম

ধর্ষণ মামলায় দণ্ডিত সাবেক এমপির ফোনে মিলল ডজনখানেক পর্ন ভিডিও

Advertisement

ধর্ষণ মামলায় দণ্ডিত ভারতের জনতা দল (সেক্যুলার) বা জেডিএসের সাবেক সংসদ সদস্য প্রজ্বল রেভান্নার জব্দ করা মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিভাইসের ফরেনসিক বিশ্লেষণে ডজনখানেক পর্ন ভিডিও পাওয়া গেছে।

কারাগারে নিজের কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় গত মাসে ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মকর্তাদের অভিযানে ধরা পড়েন রেভান্না। তিনি বর্তমানে বেঙ্গালুরুর পারাপ্পানা আগ্রাহারা কেন্দ্রীয় কারাগারে যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করছেন।

গত ১১ আগস্ট ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারা আকস্মিক অভিযান চালিয়ে রেভান্নার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন। একই সময় তার থাকা উচ্চনিরাপত্তার ব্যারাক থেকে একটি চার্জার, পেনড্রাইভ ও নোটবুকও জব্দ করা হয়।

পরে জব্দ করা মোবাইল ফোন ও পেনড্রাইভ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে মোবাইল ফোনে ডজনখানেক পর্ন ভিডিও এবং পেনড্রাইভে ওয়েব সিরিজের ভিডিও পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ‘ভিআইপি’ বন্দিদের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগকে আবারও সামনে এনেছে। মোবাইল ফোন উদ্ধারের পর কারাগারের এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার নাতি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর ভাতিজা প্রজ্বল রেভান্না ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার মামলায় গত বছর দোষী সাব্যস্ত হন। ৪৮ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ওই নারী হাসান জেলার হোলেনারসিপুরার রেভান্না পরিবারের খামারবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তার অভিযোগ ছিল, ২০২১ সাল থেকে প্রজ্বল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

কারাগারে বন্দিদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন, সিম কার্ড ও ইলেকট্রনিক যোগাযোগের ডিভাইস ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনুমোদিত যোগাযোগের ক্ষেত্রে কেবল কঠোর নজরদারির আওতায় থাকা কারাগারের ল্যান্ডলাইন, পাবলিক কল অফিস (পিসিও) অথবা নির্ধারিত ভিডিও কলিং ব্যবস্থা ব্যবহার করা যায়।

সূত্র: এনডিটিভি

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম