মোদির নৈশভোজে যোগ দেননি শি জিনপিং, নেপথ্যে কী?
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া নেতাদের সম্মানে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এতে অংশ নেননি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, শি জিনপিং শনিবার দুপুরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান। এরপর তিনি ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
সারাদিন ব্যস্ত কর্মসূচি থাকায় শি জিনপিং নৈশভোজে যোগ দেননি বলে জানা গেছে। সরাসরি বিষয়টি জানেন এমন সূত্রের দাবি, দীর্ঘ বিমানযাত্রা ও সময়ের পার্থক্যের কারণে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তবে ক্লান্তি সত্ত্বেও তিনি দিনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
নৈশভোজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকসের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও এতে অংশ নেন।
উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন— অমিত শাহ, নির্মলা সীতারামন, পীযূষ গোয়েল, অশ্বিনী বৈষ্ণব ও শিবরাজ সিং চৌহান। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও ছিলেন। এ ছাড়া উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা নৈশভোজে যোগ দেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীরা সংসদ ভবন থেকে দুটি বাসে করে মধ্য দিল্লির ভারত মণ্ডপমে নৈশভোজের অনুষ্ঠানে যান।
শেষ হচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন
দুই দিনব্যাপী ব্রিকস সম্মেলন আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শেষ হওয়ার কথা। এতে ১১টি সদস্য দেশ ও ১০টি অংশীদার দেশের নেতাদের পাশাপাশি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশ নিচ্ছেন।
আজ মোদির সাতটি দেশের নেতার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে।
এর আগে শনিবার মোদি ও শি জিনপিং বৈঠকে ভারত-চীন সম্পর্কের অগ্রগতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই নেতা জোর দিয়ে বলেছেন, ‘মতপার্থক্য যেন বিরোধে পরিণত না হয়’। একই সঙ্গে দুই দেশকে সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।


