Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

মার্কিন প্রতিবেদনে উঠে এলো ইরানি হামলার ধ্বংসযজ্ঞ

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৩ এএম

মার্কিন প্রতিবেদনে উঠে এলো ইরানি হামলার ধ্বংসযজ্ঞ

ইরানের হামলায় বড় ক্ষতি হয়েছে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর। সংগৃহীত ছবি

Advertisement

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। একই সময়ে ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির শত শত ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া এক সরকারি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে, যা প্রকাশ্যে আসার পর চাপ বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৯ জুন পর্যন্ত যুদ্ধের ব্যয়ের মধ্যে ২২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারই গেছে গোলাবারুদ ব্যবহারে। আরও ৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে সামরিক অভিযান পরিচালনায় এবং প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানি হামলায় ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোর প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাও নিহত হয়েছে।

সামরিক সরঞ্জামের দিক থেকেও বড় ক্ষতির কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জুনের শেষ পর্যন্ত একটি এফ-৩৫এ, চারটি এফ-১৫ই এবং একটি এ-১০ যুদ্ধবিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া সাতটি কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, সাতটি হেলিকপ্টার এবং ৩০টির বেশি ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত বা হারিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিপুল পরিমাণ মার্কিন গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে কৌশলগত মজুতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত গোলাবারুদ পুনরায় উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা সামনে এসেছে।

অর্থাৎ, ইরানের হামলায় শুধু সামরিক ঘাঁটি ও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি; যুদ্ধটি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত ও প্রতিরক্ষা সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও বড় চাপ তৈরি করেছে। যা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন প্রচণ্ড চাপে আছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম