Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

ভারতে ধর্ষণের পর হত্যা, খোলা মাঠে কুকুর খাচ্ছিল তরুণীর লাশ

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪২ এএম

ভারতে ধর্ষণের পর হত্যা, খোলা মাঠে কুকুর খাচ্ছিল তরুণীর লাশ

ছবি: প্রতীকী

Advertisement

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৭ বছর বয়সি এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিন অপ্রাপ্তবয়স্কসহ মোট চারজন জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। ওই কিশোরী অভিযুক্তদের সঙ্গে একই অটোরিকশায় ভ্রমণ করছিলেন বলে জানা যায়। তাকে ধর্ষণ ও হত্যার পর একটি খোলা মাঠে ফেলে রাখেন ওই চারজন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পুলিশ জানায়, ওই তরুণীর লাশ এমনভাবে পচন ধরেছিল যে সেটি কোনো নারীর না পুরুষের সেটিই প্রথমে নির্ণয় করা যাচ্ছিল না। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

পুলিশ আরও জানায়, ভুক্তভোগী ও জড়িতরা আগে থেকেই পরিচিত ছিল। তারা একসঙ্গে ওই অটোরিকশায় অ্যালকোহল পান করেছিল। এরপরই তাকে ধর্ষণের পর ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

পরবর্তীতে গত সপ্তাহের সোমবার ওই কিশোরীর লাশ নয়াদিল্লির কুশাক রোডে জয়পাল রানার মাঠে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

উদ্ধারের পর আরও দেখা যায়, ততক্ষণে ওই তরুণীর লাশের বেশকিছু অংশ রাস্তায় থাকা কুকুররা খেয়ে ফেলেছে। এ সময় তার একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়।

পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই তরুণী নিখোঁজ হয়েছে বলে থানায় কোনো অভিযোগ জানাতে আসেনি। তাদের ভাষ্য-সে প্রায়ই এমন বেশ কয়েকদিন ঘরের বাইরে থাকতো এবং কিছুদিন পর ফিরে আসতো।

এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। কোনো সাক্ষী না থাকায় অপরাধীদের ধরতে পুলিশ ওই মাঠ ও এর আশপাশের রাস্তার ৫০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে। ফুটেজ বিশ্লেষণের সময় পুলিশ একটি অটোরিকশাকে ওই সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখে। প্রথমে ঘটনাস্থলের অন্ধকারে অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন নম্বর অস্পষ্ট থাকায় পুলিশ আরও কয়েকটি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে।

পরে নয়াদিল্লির স্বরূপনগর এলাকার খাড্ডা কলোনীতে অটোরিকশাটিকে শনাক্ত করা হয়। এর চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এরপর তিন কিশোরসহ মোট চারজন জড়িতকে এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, অপরাধে ব্যবহৃত দুটি ছুরি, অভিযুক্তদের পরা পোশাক এবং টেম্পোটি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পুরো ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে, আটক ব্যক্তিদের প্রত্যেকের ভূমিকা নির্ধারণ করতে এবং ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত প্রমাণ যাচাই করতে তদন্ত চলছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম