Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আইএইএর প্রস্তাব মানবে না উত্তর কোরিয়া

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আইএইএর প্রস্তাব মানবে না উত্তর কোরিয়া

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সমালোচনামূলক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া।

Advertisement

জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সমালোচনামূলক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান অপরিবর্তনীয় এবং তাদের পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা দ্বারা তা সুরক্ষিত।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

একই সময়ে কেসিএনএকে দেওয়া পৃথক এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং আইএইএর বিরুদ্ধে ‘দ্বৈত মানদণ্ড’ প্রয়োগের অভিযোগ তোলেন।

তিনি বলেন, আইএইএর ‘পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ও দ্বৈত মানদণ্ড’ আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তাররোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

কিমের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পষ্ট পারমাণবিক বিস্তারমূলক কর্মকাণ্ড’ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘পারমাণবিক সাবমেরিন আনার পরিকল্পনা’ নিয়ে আইএইএ নীরব থাকলেও উত্তর কোরিয়ার ‘আত্মরক্ষামূলক ও বৈধ পারমাণবিক কর্মসূচির’ বিরুদ্ধে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।

এদিকে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, আইএইএর চলতি সপ্তাহের সাধারণ সম্মেলনে ‘শত্রুভাবাপন্ন শক্তিগুলো’ দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করেছে।

মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর তৈরি এই প্রস্তাব উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে অবস্থানের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।’

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরও জানিয়েছে, কিম জং উন এ সপ্তাহে তিন দিন ধরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র কারখানাগুলো পরিদর্শন করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালে রাশিয়ার সঙ্গে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে মস্কোর সহায়তায় উত্তর কোরিয়া তাদের সামরিক সক্ষমতা আধুনিকায়নের কাজ জোরদার করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া উত্তর কোরীয় সেনাদের অর্জিত যুদ্ধ-অভিজ্ঞতাও এ প্রক্রিয়ায় সহায়ক হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

এ ছাড়া শুক্রবার পিয়ংইয়ংয়ে প্রচারকর্মীদের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন কিম জং উন। সেখানে তিনি বলেন, আধুনিক ‘আদর্শিক যুদ্ধ’ পরিচালনায় পুরনো পদ্ধতির পুনরাবৃত্তির পরিবর্তে উদ্ভাবনী, সৃজনশীল ও আক্রমণাত্মক কৌশল প্রয়োজন।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে সংলাপ চান এবং সম্ভাব্য আলোচনার পথ সুগম করতে সিউল কাজ করবে।

গত মাসে ট্রাম্পও জানান, তিনি চলতি বছরের মধ্যেই কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করার পরিকল্পনা করছেন। তিনি বলেন, কিমের সঙ্গে ‘ভালো সম্পর্ক’ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে ৫৭টি ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম