উত্তেজনার মধ্যেই সিসির সঙ্গে সিআইএ প্রধানের বৈঠক, নেপথ্যে কী?
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
আল-সিসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র্যাটক্লিফ। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র্যাটক্লিফ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দেশটির রাজধানী কায়রোয় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিরল এই সফরে র্যাটক্লিফের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান হাসান রাশাদ। কিন্তু ঠিক কি কারণে হঠাৎ এ বৈঠক? যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।
তবে মিসরের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, বৈঠকে ইরান, গাজা ও সুদানের যুদ্ধ পরিস্থিতি, উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে সিসি আঞ্চলিক সংকটগুলোর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন। বিবৃতিতে বলা হয়, আঞ্চলিক সংকট নিরসনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সিসি।
এর একদিন আগে শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণের বিষয়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দপ্তরটি সতর্ক করে বলেছিল, এই সামরিক সংঘাত দ্রুত আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।
র্যাটক্লিফের কায়রো সফরের কয়েক দিন আগেই মিসর সফর করেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। সিসির সঙ্গে বৈঠকে তারা ইয়েমেনের হুথিদের আকস্মিক অভিযানে দেশটির উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র মিসর। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার অন্যতম বড় গ্রহীতা। অস্থিতিশীল এই অঞ্চলে নিজেদের স্থিতিশীলতা আনার শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে কায়রো। একই সঙ্গে ইসরাইল, হামাস ও ইরানসহ পরস্পরবিরোধী পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের পথও খোলা রেখেছে দেশটি।

