ইসরাইলকে ২৮০ কোটি ডলারের অস্ত্র
মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে ফিলিস্তিনি আমেরিকানদের বৈঠক
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
কর্মসূচির আয়োজন করে ‘আমেরিকানস ফর জাস্টিস ইন প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের একটি সংগঠন।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইসরাইলকে নতুন করে ২৮০ কোটি ডলারের অস্ত্র দেওয়ার খবরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির আয়োজন করে ‘আমেরিকানস ফর জাস্টিস ইন প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের একটি সংগঠন। সংগঠনটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে ৩০০ জনের বেশি মানুষ এতে অংশ নেন। তারা ১০০টির বেশি আইনপ্রণেতার কার্যালয়ে গিয়ে ফিলিস্তিনিদের অধিকার, গাজা যুদ্ধ, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন দমনে অভিবাসন আইন ব্যবহারের বিষয়ে কথা বলেন।
ভার্জিনিয়ার ১৯ বছর বয়সি জেনা এসচেইক বলেন, তারা আইনপ্রণেতাদের বলেন যে- তারা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে গর্বিত। তবে তারা চান না, তাদের করের টাকা যুদ্ধের পেছনে ব্যয় হোক।
ওহাইও থেকে আসা ২২ বছর বয়সি ইয়াসিন শেখ বলেন, পরিবর্তন আনার বিষয়ে আমরা আশাবাদী। তবে তিনি জানান, ইসরাইলকে অস্ত্র দেওয়ার সীমা নির্ধারণের উদ্যোগের বিরোধিতা করা কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতার কার্যালয়েও তিনি যাবেন।
এরই মধ্যে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলের জন্য ২৮০ কোটি ডলারের একটি সামরিক সহায়তা প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। এতে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের এমকে-৮৪ বোমাসহ প্রায় ২০ হাজার বোমা থাকার কথা রয়েছে। এসব বোমা গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অস্ত্র সরবরাহ ঠেকানোর উদ্যোগ নিয়েছেন কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা । তবে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রশাসন ও কংগ্রেস ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে শর্ত আরোপের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ওসামা আবু ইরশাইদ বলেন, ইসরাইলকে নতুন অস্ত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত মার্কিন জনমতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার দাবি, ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সমর্থন বাড়ছে এবং এ বিষয়টি এখন আইনপ্রণেতাদের ওপরও প্রভাব ফেলছে।
এ ছাড়া মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন দমনে অভিবাসন আইন ব্যবহারের অভিযোগও তোলা হয়। অংশগ্রহণকারীরা এ ধরনের আইন সংস্কারের দাবি জানান।
তথ্যসূত্র: আলজাজিরা

-6ab37be6cf19e.jpg)