কমান্ডারের সিদ্ধান্তে কুয়েতে ভয়াবহ বিপদে পড়েছিল মার্কিন সেনারা
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ এএম
ইরানের হামলার মুখে পড়ে মার্কিনদের ওই ঘাঁটি। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইরানের সম্ভাব্য হামলার গোয়েন্দা সতর্কতা ছিল, কিন্তু কুয়েতে থাকা মার্কিন সেনাদের নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নাকচ করেছিলেন ইউনিটের কমান্ডার। এর কিছুদিন পরই কুয়েতের ওই বন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা হয়। এতে কয়েক ডজন মার্কিন সেনা আক্রান্ত হন।
মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর প্রায় এক সপ্তাহ আগে কুয়েতে থাকা বেশিরভাগ মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যকে জর্ডান ও সৌদি আরবে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর ফলে তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা থেকে তুলনামূলকভাবে দূরে চলে যায়।
তবে কুয়েতে থাকা ১০৩তম সাসটেইনমেন্ট কমান্ডের জন্য আরও নিরাপদ অবস্থান নেওয়ার অন্তত দুটি পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এর একটি ছিল সৌদি আরবের বন্দরনগরী ইয়ানবুর কাছে লজিস্টিক্যাল সাপোর্ট এরিয়া জেনকিনস এবং অন্যটি ছিল রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস।
একাধিক সূত্রের বরাতে সিবিএস নিউজ জানায়, এসব পরিকল্পনা ইউনিটের নেতৃত্বের কাছে উপস্থাপন করা হলেও কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ক্লিন্ট বার্নস সেগুলো অনুমোদন করেননি।
এর পরিবর্তে আগের ইউনিটের অনুসরণ করা কৌশল নেওয়া হয়। গত জুলাইয়ে ইসরাইল-ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের সময় কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান থেকে মার্কিন সেনাদের সাময়িকভাবে শুয়াইবা বন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
তবে ওই সময়ের পরিস্থিতি বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনীয় ছিল না বলে জানান এক মার্কিন সেনাসদস্য। তিনি জানান, তখন ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চললেও মার্কিন সেনাদের মূল আশঙ্কা ছিল বাধা পাওয়া কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন আকাশ থেকে তাদের ওপর পড়ে যাওয়া।
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী হামলার আগে কুয়েতের ওই অবস্থান সম্পর্কে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতাও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু কেন ওই কমান্ডার নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন, তা জানা যায়নি।

