৩ হাজার কোটি ডলারের পারস্পরিক শুল্ক কমাতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-চীন
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পারস্পরিকভাবে প্রায় ৩ হাজার কোটি ডলারের শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নিতে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সংলাপ শুরুর সিদ্ধান্তও হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে হওয়া আট দফা সমঝোতার অংশ হিসেবে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য পরিষদ গঠন এবং কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আগের আলোচনায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে অগ্রগতি আনার বিষয়েও ঐকমত্য হয়েছে।
এর আগে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্র ও চীন নিজেদের মধ্যে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। আগামী ১০ নভেম্বর ওই যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কথা ছিল। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বুধবার জানান, মেয়াদ বাড়ানোর ফলে সম্ভাব্য বড় ধরনের বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তুতির জন্য দুই দেশ আরও সময় পাবে।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, শুক্রবার শেষ হওয়া শি জিনপিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের বৈঠকে বড় কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তির চেয়ে দুই নেতার ব্যক্তিগত পর্যায়ের যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এক বিবৃতিতে বলেন, শি জিনপিংয়ের এই সফর চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল ও গঠনমূলক করেছে। একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এআই নিয়ে নভেম্বরে সংলাপ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও ঝুঁকি নিয়ে আগামী নভেম্বরে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতে একটি বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থাও চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশ।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির মধ্যে নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে মতবিনিময় বাড়ানো প্রয়োজন। এ নিয়ে পারস্পরিক সমঝোতা তৈরিতেও কাজ করবে বেইজিং ও ওয়াশিংটন।
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও দুই নেতা কয়েকটি বিষয়ে একমত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহারকারী কোনো দেশ বা পক্ষের ওপর শুল্ক আরোপ না করার নীতি।

-6ab7ecb4522f5.jpg)