সৌদি আরবে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে যা জানাল পাকিস্তান
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১২ পিএম
পাকিস্তান আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইয়েমেনের বিদ্রোহী হুথি গোষ্ঠীর হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবে পাকিস্তান সেনা মোতায়েন করবে কি না, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে মক্কা চুক্তি হওয়ার পর সেই আলোচনার পালে হাওয়া লেগেছে। এবার সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে ইসলামাবাদ।
বুধবার পাকিস্তান আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী জানিয়েছেন, সৌদি আরবে আগে থেকেই পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন রয়েছে। খবর জিও টিভির।
মক্কা জোটের আওতায় পাকিস্তানি সেনারা আগে থেকেই সৌদি আরবে অবস্থান করছে কি না, মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের এমন প্রশ্নের জবাবে আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী সেখানে (সৌদি আরব) কয়েক দশক ধরেই রয়েছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধুরী বলেন, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘ দিনের কূটনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক এবং জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের প্রেক্ষাপটেই মক্কা জোটের উদ্ভব হয়েছে। এটি শূন্য থেকে হঠাৎ গড়ে ওঠেনি।
আইএসপিআর মহাপরিচালক বলেন, ‘তাই আমি আপনাদের জানাতে পারি, বিভিন্ন সক্ষমতা ও ক্ষেত্রে পাকিস্তানি সেনারা আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছে।’
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি অবিলম্বে বাস্তবায়নের বিষয়ে এবং সৌদি আরবে সামরিক বাহিনী দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে একমত হওয়ার পর এই মন্তব্য এলো।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, রিয়াদে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির’ এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দেশ তিনটি জানিয়েছে, অনুমোদিত ব্যবস্থা এবং নিজ নিজ দেশের জাতীয় আইন মেনে এই মোতায়েন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এই পদক্ষেপগুলোর লক্ষ্য হলো প্রস্তুতি বৃদ্ধি, সামরিক সমন্বয় সাধন এবং যৌথ সক্ষমতা জোরদার করা।
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে আগস্ট মাসে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির আওতায়, কোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

