সময়মতো পৌঁছাননি বর, বিরক্ত হয়ে প্রতিবেশি যুবককে বিয়ে করে ফেললেন কনে

  যুগান্তর ডেস্ক ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:৫২:০১ | অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের সব ঠিকঠাকা। কনেপক্ষের বাড়িতে সব আয়োজন বিয়ে পড়ানোর। সবাই অপেক্ষায় বরপক্ষ কখন আসবে বলে। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে বিকাল, বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা, বরযাত্রী আসার খবর নেই। এমতাবস্থায় বিরক্ত হয়ে পাশের বাড়ির যুবককে বিয়ে করে ফেলেন কনে।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজনৌরের ধামপুরের ঘটনা এটি।

বিজনৌর পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, মাসখানেক আগেই একটি গণবিবাহ অনুষ্ঠানে চার হাত এক হয় ওই দম্পতির। তবে, বিয়ে হলেও তখন শ্বশুরবাড়ি যাননি কনে। ঠিক হয়েছিল, সামাজিক প্রথা মেনে ফের বিয়ে হবে এবং তারপরই বরের হাত ধরে শ্বশুরবাড়ি যাবেন কনে। সেইমতো, বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়। কথা হয়, দুপুর ২ টায় বিয়ে করতে পৌঁছে যাবে বরযাত্রী।

সেই মোতাবেক সব আয়োজন করে রাখে কনের বাবা। সব মেহমান উপস্থিত। কিন্তু বিয়ের দিন দেখা যায় দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলেও বর আসার খবর নেই। যৌতুকের দাবিদাওয়া পুরোপুরি না মেটায়, দেরি করছিল পাত্রপক্ষ। বরপক্ষ পণের যে টাকা দাবি করছিল, তা পূরণ করা একপ্রকার অসম্ভবই ছিল মেয়ের বাবার পক্ষে। অবশ্য রাতের দিকে কনের বাসায় পৌঁছায় বর এবং বরযাত্রী। ততক্ষণে অবশ্য ঘটনা ঘটে গেছে।

নতুন বরের জন্য অপেক্ষা করতে করতে বিরক্ত হয়ে পাত্রী পাশের বাড়ির এক যুবককে বিয়ে করে ফেলেন। কনেপক্ষের দাবি, সন্ধ্যা পর্যন্ত বরের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন তারা। কিন্তু, ততক্ষণে বর না আসায়, ধরে নেয়া হয় পাত্রপক্ষ আর আসবে না। তারপরই মেয়ে লগ্নভ্রষ্ট হবে এমনটি ভেবে পাশের বাড়ির ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়।

বিয়ে করতে এসে এই ঘটনা শোনে ক্ষোভে ফেটে পড়ে পাত্রপক্ষ। তাদের অভিযোগ, কনেকে অন্যের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে শুধু অপমান করা হয়েছে, তাই নয়। উল্টো বিয়ে করতে গেলে বরসহ বরযাত্রীকে ঘরে আটকে রেখে, তাদের মারধর পর্যন্ত করা হয়। পরে বরপক্ষ পুলিশের দারস্থ হয়। পুলিশ এসে দু’পক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত