Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভকারীদের খাবার, কম্বল কেড়ে নিল যোগীর পুলিশ

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ০৮:৩৩ পিএম

বিক্ষোভকারীদের খাবার, কম্বল কেড়ে নিল যোগীর পুলিশ

ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

বিতর্কিত সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি রুখতে এবার নয়াপন্থা নিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। রাতের অন্ধকারে নারী বিক্ষোভকারীদের লেপ-কম্বল কেড়ে নিয়েছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পেটুয়া বাহিনী। কেড়ে নেয়া হয় থালা-বাসন, খাবারও। 

শনিবার রাতে লক্ষ্মৌয়ের ওল্ড কোয়ার্টারের কাছে ঘণ্টাঘর এলাকায় এমন দৃশ্য চোখে পড়েছে বলে আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে যোগী সরকারের দমননীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন নেটিজেনরা। 

এদিকে, দিল্লির শাহিনবাগে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেয়া নারীরা নরেন্দ্র মোদিকে ‘চায়ে পে চর্চার’ আমন্ত্রণ জানিয়ে তাকে চিঠি লিখেছেন। কনকনে ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে মোদি সরকারের আইনের বিরোধিতায় রাতের পর রাত কাটাচ্ছেন শাহিনবাগের নারীরা।

সিএএ, প্রস্তাবিত জাতীয় জনসংখ্যা রেজিস্ট্রার (এনপিআর) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় তারা।

সিএএ এবং এনআরসি বিরোধিতায় পাঁচ শতাধিক নারী গত এক মাস ধরে দিল্লির শাহিনবাগে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন। তাদের অনুপ্রেরণাতেই শুক্রবার থেকে ঘণ্টাঘরের কাছে জমা হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের নারীরা। ছিল শিশুরাও। 

প্রচণ্ড ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে লেপ-কম্বল নিয়ে বসেছিলেন তারা। কিন্তু সন্ধ্যা পেরোতেই সেখানে হাজির হয় পুলিশের একটি দল। লেপ-কম্বল কেড়ে নিতে শুরু করে তারা। খাবার এবং থালা-বাসনও বাজেয়াপ্ত করা হয়।

শনিবার তোলা এক মোবাইল ফোন ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী প্রতিবাদী কয়েকজন পুলিশের দিকে ছুটে গিয়ে প্রশ্ন করছেন, কেন তাদের কম্বল তুলে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ? মহিলা ও শিশুদের জন্য খাবার ও কম্বল নিয়ে আসা এক শিখ ব্যক্তি বলেন, কিছু পুলিশ আমাদের থামাতে চাইছে। 

পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে সর্বত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে ‘কম্বল চোর’ বলে দাগিয়েছেন কেউ কেউ। আবার কটাক্ষও করেছেন কেউ কেউ। 

প্রশ্ন উঠেছে, ‘প্রভুরা ওই কম্বল মুড়ি দিয়ে ঠিকঠাক ঘুমিয়েছেন তো?’ 

Advertisement

ভারত যোগী আদিত্যনাথ নাগরিকত্ব আইন

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম