দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের
jugantor
দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ জুলাই ২০২০, ২১:০৬:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরী
দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরী। ছবি: রয়টার্স

দক্ষিণ চীন সাগরের বেশিরভাগ অংশের সম্পদের ওপর বেইজিংয়ের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

সোমবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, দক্ষিণ চীন সাগরের বেশিরভাগ অংশের সম্পদের উপর বেইজিংয়ের দাবি এবং সেসব এলাকার নিয়ন্ত্রণ পেতে তারা যে ধরনের তর্জন-গর্জন ও প্রচারণা চালাচ্ছে, তা একেবারেই বেআইনি। দক্ষিণ চীন সাগরকে বেইজিং তার সামুদ্রিক সাম্রাজ্য বানাতে চাইলেও বিশ্ব তা বরদাশত করবে না

চীন থেকে সমালোচনা করে বলা হচ্ছিল মার্কিন উপস্থিতি এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের বিস্তৃত আঞ্চলিক দাবির বিরোধিতা করে আসছে। সেখানে চলাচলের স্বাধীনতা প্রদর্শনের জন্য কৌশলগত জলপথে নিয়মিত যুদ্ধজাহাজ প্রেরণ করেছে।

চীন তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এ অবস্থানের প্রতিবাদ জানিয়েছে। বলেছে, দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আমেরিকানরা ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য ও আন্তর্জাতিক আইনের বিকৃতি ঘটাচ্ছে’। 

বিবিসি জানিয়েছে, বিতর্কিত এ জলসীমার কৃত্রিম দ্বীপে চীন সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করলেও সেখানে ব্রুনেই, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামেরও মালিকানার দাবি আছে।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিভিন্ন অংশের মালিকানা নিয়ে ওই অঞ্চলের দেশগুলোর বিরোধ শতাব্দি পুরনো। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেইজিংয়ের আগ্রাসী ভূমিকায় অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বেড়েছে।

সাগরের ‘নাইন-ড্যাশ লাইন’ নামে পরিচিত এলাকার মালিকানা দাবির পাশাপাশি চীন সেখানে কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ, টহল ও সামরিক উপস্থিতির পরিমাণ বাড়িয়েই চলেছে। 

দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ জুলাই ২০২০, ০৯:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরী
দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরী। ছবি: রয়টার্স

দক্ষিণ চীন সাগরের বেশিরভাগ অংশের সম্পদের ওপর বেইজিংয়ের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, দক্ষিণ চীন সাগরের বেশিরভাগ অংশের সম্পদের উপর বেইজিংয়ের দাবি এবং সেসব এলাকার নিয়ন্ত্রণ পেতে তারা যে ধরনের তর্জন-গর্জন ও প্রচারণা চালাচ্ছে, তা একেবারেই বেআইনি। দক্ষিণ চীন সাগরকে বেইজিং তার সামুদ্রিক সাম্রাজ্য বানাতে চাইলেও বিশ্ব তা বরদাশত করবে না

চীন থেকে সমালোচনা করে বলা হচ্ছিল মার্কিন উপস্থিতি এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের বিস্তৃত আঞ্চলিক দাবির বিরোধিতা করে আসছে। সেখানে চলাচলের স্বাধীনতা প্রদর্শনের জন্য কৌশলগত জলপথে নিয়মিত যুদ্ধজাহাজ প্রেরণ করেছে।

চীন তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এ অবস্থানের প্রতিবাদ জানিয়েছে। বলেছে, দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আমেরিকানরা ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য ও আন্তর্জাতিক আইনের বিকৃতি ঘটাচ্ছে’।

বিবিসি জানিয়েছে, বিতর্কিত এ জলসীমার কৃত্রিম দ্বীপে চীন সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করলেও সেখানে ব্রুনেই, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামেরও মালিকানার দাবি আছে।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিভিন্ন অংশের মালিকানা নিয়ে ওই অঞ্চলের দেশগুলোর বিরোধ শতাব্দি পুরনো। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেইজিংয়ের আগ্রাসী ভূমিকায় অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বেড়েছে।

সাগরের ‘নাইন-ড্যাশ লাইন’ নামে পরিচিত এলাকার মালিকানা দাবির পাশাপাশি চীন সেখানে কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ, টহল ও সামরিক উপস্থিতির পরিমাণ বাড়িয়েই চলেছে।