সাবমেরিন বিধ্বংসী বিমান সংগ্রহ করছে ভারত
jugantor
সাবমেরিন বিধ্বংসী বিমান সংগ্রহ করছে ভারত

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ জুলাই ২০২০, ১৮:২০:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবমেরিন বিধ্বংসী বিমান সংগ্রহ করছে ভারত
ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ভারতীয় নৌবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে যোগ হচ্ছে সাবমেরিন বিধ্বংসী বিমান। 

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগামী বছরই চারটি পি-৮আই ভারতের হাতে আসবে বলে জানা গেছে। 

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২১ সালে আরও ৬টি পি-৮আই বিমান কেনা হতে পারে বলে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।এতে ভারত মহাসাগরে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। 

পি-৮আই বিমানটি ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য বিশেষভাবে তৈরি। উপকূল এলাকায় নজরদারি, শত্রুপক্ষের জাহাজ এবং সাবমেরিনের অবস্থান জানা এবং প্রয়োজনে আঘাত হানার ক্ষেত্রে এ বিমান ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। 

আঞ্চলিক শক্তিকে শাসাতে হারপুন ব্লক-২ ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং হালকা ওজনের টর্পেডোকে এ বিমানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শক্তিশালী রেডিও সিগনালের মাধ্যমে এটি শত্রুপক্ষের সাবমেরিন এবং জাহাজ- উভয়ই ধ্বংস করতে সক্ষম।

পি-৮আই বিমানের অন্তর্ভুক্ত এই হারপুন ব্লক-২ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ২ হাজার ২০০ কিলোমিটার। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৮৯ কিলোমিটার বেগে নির্ভুল লক্ষ্যে ছুটে গিয়ে শত্রুপক্ষের বিমানে আঘাত হানতে পারে সেটি। এমনকি গোপনেও যদি শত্রুপক্ষের সাবমেরিন হানা দেয়, নিমেষে তাকে ধ্বংস করতে সক্ষম এ ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বিমান। 

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দূরে মোতায়েন শত্রুপক্ষের সাবমেরিন ও জাহাজ ধ্বংস করার পাশাপাশি, সমুদ্রে নজরদারি চালাতেও পি-৮আই বিমান ব্যবহার করা হয়। স্থলভাগেও এ বিমান ব্যবহার করা সম্ভব। 

সম্প্রতি লাদাখে চীনের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন এ বিমানের মাধ্যমেই নজরদারি চালানো হয়। ২০১৭ সালে ডোকালামে দু’দেশের বাহিনী যখন মুখোমুখি অবস্থান করছিল, সেইসময়ও নামানো হয়েছিল এ বিমান। 

২০০৯ সাল থেকেই ভারতীয় নৌবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে আছে পি-৮আই এয়ারক্রাফ্ট।
 

সাবমেরিন বিধ্বংসী বিমান সংগ্রহ করছে ভারত

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ জুলাই ২০২০, ০৬:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাবমেরিন বিধ্বংসী বিমান সংগ্রহ করছে ভারত
ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ভারতীয় নৌবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে যোগ হচ্ছে সাবমেরিন বিধ্বংসী বিমান।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগামী বছরই চারটি পি-৮আই ভারতের হাতে আসবে বলে জানা গেছে।

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২১ সালে আরও ৬টি পি-৮আই বিমান কেনা হতে পারে বলে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।এতে ভারত মহাসাগরে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

পি-৮আই বিমানটি ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য বিশেষভাবে তৈরি। উপকূল এলাকায় নজরদারি, শত্রুপক্ষের জাহাজ এবং সাবমেরিনের অবস্থান জানা এবং প্রয়োজনে আঘাত হানার ক্ষেত্রে এ বিমান ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।

আঞ্চলিক শক্তিকে শাসাতে হারপুন ব্লক-২ ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং হালকা ওজনের টর্পেডোকে এ বিমানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শক্তিশালী রেডিও সিগনালের মাধ্যমে এটি শত্রুপক্ষের সাবমেরিন এবং জাহাজ- উভয়ই ধ্বংস করতে সক্ষম।

পি-৮আই বিমানের অন্তর্ভুক্ত এই হারপুন ব্লক-২ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ২ হাজার ২০০ কিলোমিটার। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৮৯ কিলোমিটার বেগে নির্ভুল লক্ষ্যে ছুটে গিয়ে শত্রুপক্ষের বিমানে আঘাত হানতে পারে সেটি। এমনকি গোপনেও যদি শত্রুপক্ষের সাবমেরিন হানা দেয়, নিমেষে তাকে ধ্বংস করতে সক্ষম এ ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বিমান।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দূরে মোতায়েন শত্রুপক্ষের সাবমেরিন ও জাহাজ ধ্বংস করার পাশাপাশি, সমুদ্রে নজরদারি চালাতেও পি-৮আই বিমান ব্যবহার করা হয়। স্থলভাগেও এ বিমান ব্যবহার করা সম্ভব।

সম্প্রতি লাদাখে চীনের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন এ বিমানের মাধ্যমেই নজরদারি চালানো হয়। ২০১৭ সালে ডোকালামে দু’দেশের বাহিনী যখন মুখোমুখি অবস্থান করছিল, সেইসময়ও নামানো হয়েছিল এ বিমান।

২০০৯ সাল থেকেই ভারতীয় নৌবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে আছে পি-৮আই এয়ারক্রাফ্ট।

 

ঘটনাপ্রবাহ : সীমান্তে চীন-ভারত উত্তেজনা