এবার হংকংয়ের প্রশাসক ক্যারি লামের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
jugantor
এবার হংকংয়ের প্রশাসক ক্যারি লামের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

  অনলাইন ডেস্ক  

০৯ আগস্ট ২০২০, ১৪:৫০:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম এবং আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হংকংয়ে রাজনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করার ক্ষেত্রে এসব ব্যক্তির ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশ বলে ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। গত মাসে হংকংয়ের ভিন্নমতাম্বলীর বিরুদ্ধে চীন যে পদক্ষেপ নিয়েছে, সে জন্য তাদের শাস্তি দিতে ট্রাম্প ওই নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামী নভেম্বরে। নির্বাচন সামনে রেখে বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে তার এমন পদক্ষেপকে নাটকীয় হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে ক্যারি লাম, হংকংয়ের পুলিশ কমিশনার ক্রিস তাং, তার পূর্বসূরি স্টিফেন লো, হংকংয়ের নিরাপত্তাবিষয়ক সচিব জন লি কা-চিউ এবং আইন সচিব তেরেসা চেংকে।

এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে হংকংয়ে চীনের শীর্ষ কর্মকর্তা লুও হুইনিং, হংকং ও ম্যাকাউবিষয়ক বেইজিং অফিসের পরিচালক সিয়া বাউলংয়ের বিরুদ্ধে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ বলেছে, চীনের চাপিয়ে দেয়া জাতীয় নিরাপত্তা আইন হংকংয়ের স্বায়ত্তশাসনকে খর্ব করেছে। হংকংয়ে স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দমন করে বেইজিংয়ের নীতিকে বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম।

আলাদা এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে তাদের কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা যাবে। তা হলো– হংকং কর্তৃপক্ষের গৃহীত ব্যবস্থা অগ্রহণযোগ্য।

নিষেধাজ্ঞা দেয়া ব্যক্তিদের যেসব সম্পদ আছে যুক্তরাষ্ট্রে তা বাজেয়াপ্ত হবে। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে কেউ ব্যবসা বা কোনো লেনদেন করতে পারবে না।

এদিকে হংকংয়ের বাণিজ্য সচিব অ্যাডওয়ার্ড ইয়াউ বলেছেন, ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপ অসভ্য ও বর্বর। তিনি এ নিষেধাজ্ঞার সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের জন্য হংকংয়ে মার্কিন কোম্পানি ও তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এবার হংকংয়ের প্রশাসক ক্যারি লামের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

 অনলাইন ডেস্ক 
০৯ আগস্ট ২০২০, ০২:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম এবং আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হংকংয়ে রাজনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করার ক্ষেত্রে এসব ব্যক্তির ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশ বলে ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। গত মাসে হংকংয়ের ভিন্নমতাম্বলীর বিরুদ্ধে চীন যে পদক্ষেপ নিয়েছে, সে জন্য তাদের শাস্তি দিতে ট্রাম্প ওই নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামী নভেম্বরে। নির্বাচন সামনে রেখে বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে তার এমন পদক্ষেপকে নাটকীয় হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে ক্যারি লাম, হংকংয়ের পুলিশ কমিশনার ক্রিস তাং, তার পূর্বসূরি স্টিফেন লো, হংকংয়ের নিরাপত্তাবিষয়ক সচিব জন লি কা-চিউ এবং আইন সচিব তেরেসা চেংকে।

এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে হংকংয়ে চীনের শীর্ষ কর্মকর্তা লুও হুইনিং, হংকং ও ম্যাকাউবিষয়ক বেইজিং অফিসের পরিচালক সিয়া বাউলংয়ের বিরুদ্ধে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ বলেছে, চীনের চাপিয়ে দেয়া জাতীয় নিরাপত্তা আইন হংকংয়ের স্বায়ত্তশাসনকে খর্ব করেছে। হংকংয়ে স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দমন করে বেইজিংয়ের নীতিকে বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম।

আলাদা এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে তাদের কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা যাবে। তা হলো– হংকং কর্তৃপক্ষের গৃহীত ব্যবস্থা অগ্রহণযোগ্য।

নিষেধাজ্ঞা দেয়া ব্যক্তিদের যেসব সম্পদ আছে যুক্তরাষ্ট্রে তা বাজেয়াপ্ত হবে। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে কেউ ব্যবসা বা কোনো লেনদেন করতে পারবে না।

এদিকে হংকংয়ের বাণিজ্য সচিব অ্যাডওয়ার্ড ইয়াউ বলেছেন, ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপ অসভ্য ও বর্বর। তিনি এ নিষেধাজ্ঞার সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের জন্য হংকংয়ে মার্কিন কোম্পানি ও তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।