তুরস্ক-গ্রিস উত্তেজনা: ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধবিমানসহ রণতরী পাঠাচ্ছে ফ্রান্স
jugantor
তুরস্ক-গ্রিস উত্তেজনা: ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধবিমানসহ রণতরী পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

  অনলাইন ডেস্ক  

১৩ আগস্ট ২০২০, ১৭:০৭:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ফ্রান্সের বিমানবাহী রণতরী
ফ্রান্সের বিমানবাহী রণতরী ও রাফায়েল যুদ্ধবিমান। ফাইল ছবি

ভূমধ্যসাগরে বিরোধীয় অঞ্চলে তেল ও গ্যাসের খনিকে কেন্দ্র করে তুরস্ক-গ্রিসের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ফ্রান্স ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা। 

বৃহস্পতিবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় জানায়, ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর একটি রণতরী ‘লাফায়েট’ ও দুটি রাফায়েল যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হবে। 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলকে উদ্ধেগজন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এ ছাড়া তুরস্ককে তার ‘একতরফা’ প্রত্যাশা বন্ধ ও প্রতিবেশী ন্যাটো সদস্যদের মধ্যে ‘শান্তিপূর্ণ সংলাপের অনুমতি দেওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার ম্যাক্রোন এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘গ্রিসসহ ইউরোপীয় অংশীদারদের সহযোগিতায় আমি আগামী দিনগুলোতে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে অস্থায়ীভাবে ফরাসি সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি’।

বৃহস্পতিবার ফরাসি সামরিক বাহিনী গ্রিক সেনাদের সঙ্গে দক্ষিণের দ্বীপ ক্রেট থেকে প্রশিক্ষণ মহড়া চালিয়েছে। গ্রিক প্রতিরক্ষা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইমানুয়েল ম্যাক্রোনের সমর্থনের বিষয়টি জানিয়েছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস ফরাসি ভাষায় টুইটে লেখেন, ইমানুয়েল ম্যাক্রোন গ্রিসের সত্যিকারের বন্ধু এবং ইউরোপীয় মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক আইনের আবেগপূর্ণ সমর্থক।

এর আগে গত সপ্তাহে লিবিয়ায় তুরস্কের প্রতিপক্ষ মিসরের সঙ্গে গ্রিস সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর দৃশ্যপট বদলে যায়। এরপর ‘তথাকথিত সমুদ্রচুক্তি’ কার্যকারিতা হারিয়েছে বলে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়ে দেয়।

গ্রিসের দুটি দ্বীপের কাছে দু’দিনব্যাপী নৌ মহড়া চালিয়ে তুরস্ক মূলত এ সিগন্যাল দিয়েছে যে, সম্প্রতি মিসরের সঙ্গে গ্রিস যে চুক্তি করেছে আঙ্কারা তা মানবে না।

সম্প্রতি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মিসর ও সাইপ্রাস বড় জ্বালানি খনির সন্ধান পেয়েছে। এরপরই তুরস্ক ওই এলাকায় প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ পাওয়ার জন্য অতিমাত্রায় তৎপর হয়ে উঠে।

তুরস্ক-গ্রিস উত্তেজনা: ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধবিমানসহ রণতরী পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

 অনলাইন ডেস্ক 
১৩ আগস্ট ২০২০, ০৫:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফ্রান্সের বিমানবাহী রণতরী
ফ্রান্সের বিমানবাহী রণতরী ও রাফায়েল যুদ্ধবিমান। ফাইল ছবি

ভূমধ্যসাগরে বিরোধীয় অঞ্চলে তেল ও গ্যাসের খনিকে কেন্দ্র করে তুরস্ক-গ্রিসের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ফ্রান্স ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা।

বৃহস্পতিবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় জানায়, ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর একটি রণতরী ‘লাফায়েট’ ও দুটি রাফায়েল যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হবে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলকে উদ্ধেগজন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এ ছাড়া তুরস্ককে তার ‘একতরফা’ প্রত্যাশা বন্ধ ও প্রতিবেশী ন্যাটো সদস্যদের মধ্যে ‘শান্তিপূর্ণ সংলাপের অনুমতি দেওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার ম্যাক্রোন এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘গ্রিসসহ ইউরোপীয় অংশীদারদের সহযোগিতায় আমি আগামী দিনগুলোতে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে অস্থায়ীভাবে ফরাসি সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি’।

বৃহস্পতিবার ফরাসি সামরিক বাহিনী গ্রিক সেনাদের সঙ্গে দক্ষিণের দ্বীপ ক্রেট থেকে প্রশিক্ষণ মহড়া চালিয়েছে। গ্রিক প্রতিরক্ষা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইমানুয়েল ম্যাক্রোনের সমর্থনের বিষয়টি জানিয়েছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে গ্রিক প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস ফরাসি ভাষায় টুইটে লেখেন, ইমানুয়েল ম্যাক্রোন গ্রিসের সত্যিকারের বন্ধু এবং ইউরোপীয় মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক আইনের আবেগপূর্ণ সমর্থক।

এর আগে গত সপ্তাহে লিবিয়ায় তুরস্কের প্রতিপক্ষ মিসরের সঙ্গে গ্রিস সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর দৃশ্যপট বদলে যায়। এরপর ‘তথাকথিত সমুদ্রচুক্তি’ কার্যকারিতা হারিয়েছে বলে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়ে দেয়।

গ্রিসের দুটি দ্বীপের কাছে দু’দিনব্যাপী নৌ মহড়া চালিয়ে তুরস্ক মূলত এ সিগন্যাল দিয়েছে যে, সম্প্রতি মিসরের সঙ্গে গ্রিস যে চুক্তি করেছে আঙ্কারা তা মানবে না।

সম্প্রতি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মিসর ও সাইপ্রাস বড় জ্বালানি খনির সন্ধান পেয়েছে। এরপরই তুরস্ক ওই এলাকায় প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ পাওয়ার জন্য অতিমাত্রায় তৎপর হয়ে উঠে।