আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে তুরস্ক
jugantor
আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে তুরস্ক

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ আগস্ট ২০২০, ১৯:৩৪:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ফাইল ছবি
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ফাইল ছবি

ইসরায়েলের সঙ্গে বিতর্কিত চুক্তির জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ভাবছে তুরস্ক। এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

শুক্রবার ইস্তান্বুলে জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের কাছে এরদোগান বলেন, আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত করতে পারি। অথবা আমাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করতে পারি। খবর আনাদলু নিউজের।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থে ফিলিস্তিনি ইস্যুতে বিশ্বাসঘাতকতা করেও আরব আমিরাত একে ফিলিস্তিনিদের জন্য আত্মত্যাগ করার মতো কাজ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে। এটা বিশ্বের পুরো মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।’

তুরস্ক বলেছে, আমিরাতের এ ভণ্ডামি কোনো দিনও ক্ষমা পাবে না। এ চুক্তি মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিতর্কিত ওই চুক্তিকে সমর্থন জানিয়েছে মিসর।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজকে ইসরায়েলে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিভেন রিভলিন। আরব এ দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির পর এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

শুক্রবার ইসরায়েলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আবধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ানকে ইহুদীবাদী ওই রাষ্ট্রে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রিভলিন এক টুইটবার্তায় বলেন, এই চুক্তি ইসরায়েল ও আরব আমিরাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জন্য নতুন এক সম্ভাবনার মাইলফলক। আমি আশা করি আমাদের দুই দেশ ও জনগণের মাঝেও পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে তুরস্ক

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ আগস্ট ২০২০, ০৭:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ফাইল ছবি
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ফাইল ছবি

ইসরায়েলের সঙ্গে বিতর্কিত চুক্তির জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ভাবছে তুরস্ক। এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটিরপ্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

শুক্রবার ইস্তান্বুলে জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের কাছে এরদোগান বলেন, আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত করতে পারি। অথবা আমাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করতে পারি। খবর আনাদলু নিউজের।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থে ফিলিস্তিনি ইস্যুতে বিশ্বাসঘাতকতা করেও আরব আমিরাত একে ফিলিস্তিনিদের জন্য আত্মত্যাগ করার মতো কাজ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে। এটা বিশ্বের পুরো মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।’

তুরস্ক বলেছে, আমিরাতের এ ভণ্ডামি কোনো দিনও ক্ষমা পাবে না। এ চুক্তি মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।

ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিতর্কিত ওই চুক্তিকে সমর্থন জানিয়েছে মিসর।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজকে ইসরায়েলে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিভেন রিভলিন। আরব এ দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির পর এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

শুক্রবার ইসরায়েলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আবধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ানকে ইহুদীবাদী ওই রাষ্ট্রে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রিভলিন এক টুইটবার্তায় বলেন, এই চুক্তি ইসরায়েল ও আরব আমিরাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জন্য নতুন এক সম্ভাবনার মাইলফলক। আমি আশা করি আমাদের দুই দেশ ও জনগণের মাঝেও পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

 

ঘটনাপ্রবাহ : আরব আমিরাত-ইসরাইল সম্পর্ক