সেনা অভ্যুত্থানে আটক মালির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিমের পদত্যাগ
jugantor
সেনা অভ্যুত্থানে আটক মালির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিমের পদত্যাগ

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ আগস্ট ২০২০, ০৯:৩৯:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

সেনা অভ্যুত্থানে আটক পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বোউবাকার কেইতা পদত্যাগ করেছেন।

টেলিভিশন ভাষণে তিনি সরকার ও পার্লামেন্ট বিলুপ্ত বলে ঘোষণা করেছেন।খবর বিবিসির।

পদত্যাগ করে তিনি বলেন, আমাকে ক্ষমতায় রাখার জন্য কোনরকম রক্তপাত হোক, সেটা আমি চাই না।

এর আগে তাকে ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বোউবোউ সিসেকে আটক করে রাজধানী বামাকোর একটি সামরিক ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিদ্রোহী সৈনিকরা।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ওই অঞ্চলের অন্য দেশ ও ফ্রান্স।এর আগে বিদ্রোহী সৈন্যরা রাজধানী বামাকো থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরের একটি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

মালির সেনাদের মধ্যে বেতন-ভাতা নিয়ে অসন্তোষ এবং জিহাদিদের সঙ্গে অব্যাহত লড়াই নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। সেই সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্টের ওপরেও অনেকে সন্তুষ্ট নন।

২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মতো বিজয়ী হন ইব্রাহিম কেইতা।কিন্তু দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় তার ওপর অনেকের ক্ষোভ তৈরি হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বেশ কয়েকবার বড় ধরণের বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির রক্ষণশীল মুসলমান ইমাম মাহমুদ ডিকো নেতৃত্বাধীন নতুন একটি জোট দেশে সংস্কারের দাবি তুলেছে।

তাকে ইব্রাহিম কেইতা যৌথ সরকার গঠন করাসহ নানা প্রস্তাব দিলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

সেনা অভ্যুত্থানে আটক মালির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিমের পদত্যাগ

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ আগস্ট ২০২০, ০৯:৩৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সেনা অভ্যুত্থানে আটক পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বোউবাকার কেইতা পদত্যাগ করেছেন।

টেলিভিশন ভাষণে তিনি সরকার ও পার্লামেন্ট বিলুপ্ত বলে ঘোষণা করেছেন।খবর বিবিসির।

পদত্যাগ করে তিনি বলেন, আমাকে ক্ষমতায় রাখার জন্য কোনরকম রক্তপাত হোক, সেটা আমি চাই না।

এর আগে তাকে ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বোউবোউ সিসেকে আটক করে রাজধানী বামাকোর একটি সামরিক ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিদ্রোহী সৈনিকরা।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ওই অঞ্চলের অন্য দেশ ও ফ্রান্স।এর আগে বিদ্রোহী সৈন্যরা রাজধানী বামাকো থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরের একটি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

মালির সেনাদের মধ্যে বেতন-ভাতা নিয়ে অসন্তোষ এবং জিহাদিদের সঙ্গে অব্যাহত লড়াই নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। সেই সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্টের ওপরেও অনেকে সন্তুষ্ট নন।

২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মতো বিজয়ী হন ইব্রাহিম কেইতা।কিন্তু দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় তার ওপর অনেকের ক্ষোভ তৈরি হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বেশ কয়েকবার বড় ধরণের বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির রক্ষণশীল মুসলমান ইমাম মাহমুদ ডিকো নেতৃত্বাধীন নতুন একটি জোট দেশে সংস্কারের দাবি তুলেছে। 

তাকে ইব্রাহিম কেইতা যৌথ সরকার গঠন করাসহ নানা প্রস্তাব দিলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন