ভারতের বিভিন্ন শহরে তাবলিগি মার্কাজে তল্লাশি
jugantor
ভারতের বিভিন্ন শহরে তাবলিগি মার্কাজে তল্লাশি

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ আগস্ট ২০২০, ২১:১৯:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

তাবলিগ জামাতে অভিযান

অর্থ পাচারের কথিত অভিযোগে ভারতে তাবলিগ জামাতের বেশ কিছু মার্কাজে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, বুধবার মুম্বাই, দিল্লি ও হায়দরাবাদসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় তাবলিগ জামাতের মার্কাজে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

দিল্লি পুলিশের দায়ের করা মামলায় গত এপ্রিল মাসে তাবলিগ প্রধান মাওলানা সাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

বিবিসির খবরে বলা হয়, অর্থ পাচারের যে অভিযোগ সংগঠনটির বিরুদ্ধে তোলা হচ্ছে, সেটি তাবলিগ জামাতের নেতারা অস্বীকার করেছেন।

গত মার্চ মাসে করোনাভাইরাস লকডাউনের মধ্যে তাবলিগ জামাতের এক বড় সমাবেশের পর তাদের দিকে গণমাধ্যমের নজর পড়ে। তাদের এই সমাবেশ থেকে প্রচুর করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা সাদ কান্ধলভি এবং এর সঙ্গে যুক্ত ট্রাস্টগুলোর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা করা হয়।

এসময় জামাতের প্রায় ২ হাজার বিদেশি সদস্যকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয় ভারতে। আগামী ১০ বছর এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

তাবলিগ জামাত একটি অরাজনৈতিক আন্তর্জাতিক ইসলামী আন্দোলন। মূলত ইসলাম ধর্ম প্রচারের কাজেই এই সংগঠনটি নিয়োজিত।

তাবলিগ জামাতের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের এমন আচরণকে উদ্দেশ্যমূলক ও প্রতিহিংসা বলে দাবি করেছেন ভারতের মুসলিম নেতারা।

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড ও ভারতীয় মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ এর নিন্দা জানিয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন শহরে তাবলিগি মার্কাজে তল্লাশি

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ আগস্ট ২০২০, ০৯:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তাবলিগ জামাতে অভিযান
ছবি: বিবিসি

অর্থ পাচারের কথিত অভিযোগে ভারতে তাবলিগ জামাতের বেশ কিছু মার্কাজে তল্লাশি চালানো হয়েছে।  

বিবিসি জানিয়েছে, বুধবার মুম্বাই, দিল্লি ও হায়দরাবাদসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় তাবলিগ জামাতের মার্কাজে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

দিল্লি পুলিশের দায়ের করা মামলায় গত এপ্রিল মাসে তাবলিগ প্রধান মাওলানা সাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

বিবিসির খবরে বলা হয়, অর্থ পাচারের যে অভিযোগ সংগঠনটির বিরুদ্ধে তোলা হচ্ছে, সেটি তাবলিগ জামাতের নেতারা অস্বীকার করেছেন।

গত মার্চ মাসে করোনাভাইরাস লকডাউনের মধ্যে তাবলিগ জামাতের এক বড় সমাবেশের পর তাদের দিকে গণমাধ্যমের নজর পড়ে। তাদের এই সমাবেশ থেকে প্রচুর করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। 

সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা সাদ কান্ধলভি এবং এর সঙ্গে যুক্ত ট্রাস্টগুলোর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা করা হয়।

এসময় জামাতের প্রায় ২ হাজার বিদেশি সদস্যকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয় ভারতে। আগামী ১০ বছর এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

তাবলিগ জামাত একটি অরাজনৈতিক আন্তর্জাতিক ইসলামী আন্দোলন। মূলত ইসলাম ধর্ম প্রচারের কাজেই এই সংগঠনটি নিয়োজিত।

তাবলিগ জামাতের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের এমন আচরণকে উদ্দেশ্যমূলক ও প্রতিহিংসা বলে দাবি করেছেন ভারতের মুসলিম নেতারা। 

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড ও ভারতীয় মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ এর নিন্দা জানিয়েছে।