দক্ষিণ আফ্রিকায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল ৫০০ গ্রাম ওজনের শিশু
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল ৫০০ গ্রাম ওজনের শিশু

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে   

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৫৬:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেস অব গড- এটি দক্ষিণ আফ্রিকার নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে মাত্র ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে জন্ম নেয়া একটি শিশুর নাম। কেপটাউনের বিশেষায়িত সরকারি জর্জ শিশু মেডিকেল অ্যান্ড রিসার্চ হাসপাতালে শিশুটির জন্ম হয়েছে আজ থেকে ১১৬ দিন আগে।

মে মাসের ২৩ তারিখ নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে জন্ম নেয়া ওই শিশুটির বর্তমান বয়স ১১৬ দিন। মাত্র ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে এবং তিন মাস আগে শিশুটি জন্ম হওয়ায় ডাক্তাররা তাকে বাঁচিয়ে রাখার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেন এবং খাদ্যনালি সংযোজন করে চাইল্ড ইনকিউবেটরে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রখ্যাত শিশু বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ১১৬ দিন চিকিৎসা দেয়ার পর আজ শনিবার হাসপাতাল থেকে বাচ্চাটির ছাড়পত্র দিয়েছেন ডাক্তাররা।

এ সময় কেপটাউন বিশেষায়িত জর্জ সরকারি শিশু মেডিকেল অ্যান্ড রিসার্চ হাসপাতালের প্রধান অধ্যাপক ডা. ইলস এলস গণমাধ্যমের কাছে বলেছেন, শিশুটি ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে জন্ম হওয়ার পর আমরা তার বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ঈশ্বরের অপার কৃপায় এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শিশুটির বর্তমান ওজন ৩ কেজির কাছাকাছি, তাই আজকে শিশুটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

শিশুটির মা জ্যাকলিন পেট্রো সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে শিশুটির জন্ম হওয়ায় আমি তার বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কারণ ওজন এবং শ্বাস না নেয়ায় বেঁচে থাকার কোনো আশা ছিল না। কিন্তু ঈশ্বরের কৃপায় এবং ডাক্তারের প্রচেষ্টায় আমার সন্তান অলৌকিকভাবে জীবন ফিরে পেয়েছে, তাই তার নাম রেখেছি গ্রেস অব গড।
উল্লেখ্য, নবজাত শিশু জন্মের সময় স্বাভাবিক ওজন হল ২.৫ কেজি থেকে ৪ কেজি।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল ৫০০ গ্রাম ওজনের শিশু

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেস অব গড- এটি দক্ষিণ আফ্রিকার নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে মাত্র ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে জন্ম নেয়া একটি শিশুর নাম। কেপটাউনের বিশেষায়িত সরকারি জর্জ শিশু মেডিকেল অ্যান্ড রিসার্চ হাসপাতালে শিশুটির জন্ম হয়েছে আজ থেকে ১১৬ দিন আগে। 

মে মাসের ২৩ তারিখ নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে জন্ম নেয়া ওই শিশুটির বর্তমান বয়স ১১৬ দিন। মাত্র ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে এবং তিন মাস আগে শিশুটি জন্ম হওয়ায় ডাক্তাররা তাকে বাঁচিয়ে রাখার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেন এবং খাদ্যনালি সংযোজন করে চাইল্ড ইনকিউবেটরে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রখ্যাত শিশু বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ১১৬ দিন চিকিৎসা দেয়ার পর আজ শনিবার হাসপাতাল থেকে বাচ্চাটির ছাড়পত্র দিয়েছেন ডাক্তাররা। 

এ সময় কেপটাউন বিশেষায়িত জর্জ সরকারি শিশু মেডিকেল অ্যান্ড রিসার্চ হাসপাতালের প্রধান অধ্যাপক ডা. ইলস এলস গণমাধ্যমের কাছে বলেছেন, শিশুটি ৫০০ গ্রাম ওজন নিয়ে জন্ম হওয়ার পর আমরা তার বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ঈশ্বরের অপার কৃপায় এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শিশুটির বর্তমান ওজন ৩ কেজির কাছাকাছি, তাই আজকে শিশুটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

শিশুটির মা জ্যাকলিন পেট্রো সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্দিষ্ট সময়ের তিন মাস আগে শিশুটির জন্ম হওয়ায় আমি তার বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কারণ ওজন এবং শ্বাস না নেয়ায় বেঁচে থাকার কোনো আশা ছিল না। কিন্তু ঈশ্বরের কৃপায় এবং ডাক্তারের প্রচেষ্টায় আমার সন্তান অলৌকিকভাবে জীবন ফিরে পেয়েছে, তাই তার নাম রেখেছি গ্রেস অব গড। 
উল্লেখ্য, নবজাত শিশু জন্মের সময় স্বাভাবিক ওজন হল ২.৫ কেজি থেকে ৪ কেজি।