বাবরি মসজিদ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাবে মুসলিম ল’ বোর্ড
jugantor
বাবরি মসজিদ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাবে মুসলিম ল’ বোর্ড

  অনলাইন ডেস্ক  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:২৪:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবরি মসজিদ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাবে মুসলিম ল’ বোর্ড

ভারতে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় সব আসামিকে খালাস দেয়ায় এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড।

বোর্ডের সিনিয়র আইনজীবী জাফারইয়াব জিলানি বলেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংস হওয়ার দিন কীভাবে অভিযুক্তরা মঞ্চ থেকে উস্কানিমূলক ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা তা জানিয়েছেন । আইপিএস অফিসার ও সাংবাদিকরাও এ বিষয়ে বর্ণনা দিয়েছেন।

জিলানি বলেন, বিশেষ সিবিআই আদালত তথ্য প্রমাণকে উপেক্ষা করে রায় দিয়েছে। তাই এর বিরুদ্ধে মুসলমানরা আপিল করবে। মুসলিম ল’ বোর্ডও আপিল করতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস করেছিল উগ্রপন্থী হিন্দু কর সেবকরা।

প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলিমনোহর জোশী, উমা ভারতীর মতো নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে মসজিদ ভাঙার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও উসকানির অভিযোগ আনা হয়।

প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত সবাইকে খালাস দিয়ে বিচারক বলেন, প্রথমত মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা ‘পূর্বপরিকল্পিত ছিল না’।

তা ছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণের অভাব, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই যেসব অডিও এবং ভিডিও আদালতে জমা দিয়েছে, সেসবের সত্যতা প্রমাণ করা যায়নি।

বাবরি মসজিদ ভাঙতে যাওয়া সমাজবিরোধীদের বাধা দিতে গিয়েছিলেন আসামিরা এবং আসামিরা মসজিদ ভাঙার সময় যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি।

প্রায় ২৮ বছর আগের ওই ঘটনা চিরকালের মতো বদলে দিয়েছিল ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক গতিপথ। এ নিয়ে ভারতে রীতিমতো হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় মারা যায় প্রায় দুই হাজার মানুষ।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

বাবরি মসজিদ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাবে মুসলিম ল’ বোর্ড

 অনলাইন ডেস্ক 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাবরি মসজিদ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাবে মুসলিম ল’ বোর্ড
ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ভারতে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় সব আসামিকে খালাস দেয়ায় এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড।

বোর্ডের সিনিয়র আইনজীবী জাফারইয়াব জিলানি বলেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংস হওয়ার দিন কীভাবে অভিযুক্তরা মঞ্চ থেকে উস্কানিমূলক ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা তা জানিয়েছেন । আইপিএস অফিসার ও সাংবাদিকরাও এ বিষয়ে বর্ণনা দিয়েছেন।

জিলানি বলেন, বিশেষ সিবিআই আদালত তথ্য প্রমাণকে উপেক্ষা করে রায় দিয়েছে। তাই এর বিরুদ্ধে মুসলমানরা আপিল করবে। মুসলিম ল’ বোর্ডও আপিল করতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। 

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস করেছিল উগ্রপন্থী হিন্দু কর সেবকরা।

প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলিমনোহর জোশী, উমা ভারতীর মতো নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে মসজিদ ভাঙার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও উসকানির অভিযোগ আনা হয়।

প্রায় তিন দশক ধরে চলে আসা বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় অভিযুক্ত সবাইকে খালাস দিয়ে বিচারক বলেন, প্রথমত মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা ‘পূর্বপরিকল্পিত ছিল না’।

তা ছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণের অভাব, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই যেসব অডিও এবং ভিডিও আদালতে জমা দিয়েছে, সেসবের সত্যতা প্রমাণ করা যায়নি। 

বাবরি মসজিদ ভাঙতে যাওয়া সমাজবিরোধীদের বাধা দিতে গিয়েছিলেন আসামিরা এবং আসামিরা মসজিদ ভাঙার সময় যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি।

প্রায় ২৮ বছর আগের ওই ঘটনা চিরকালের মতো বদলে দিয়েছিল ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক গতিপথ। এ নিয়ে ভারতে রীতিমতো হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় মারা যায় প্রায় দুই হাজার মানুষ।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : বাবরি মসজিদ মামলার রায়