সীমান্তে চীনের বিপুল প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত!
jugantor
সীমান্তে চীনের বিপুল প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত!

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:৪০:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সীমান্তে চীনের বিপুল প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত!

লাদাখ ছাড়াও তিব্বত, অরুণাচল এবং ভুটানের বিতর্কিত সীমান্ত অঞ্চলেও প্রচুর নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে বেইজিং।

লাদাখ নিয়ে ঘুম হারাম ভারতের বাড়তি উদ্বেগ হয়ে এসেছে তিব্বতের বিভিন্ন এলাকা ও সীমান্তরেখার সেনা ঘাঁটিগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় চীনের বিপুল উন্নতি ঘটানো।

পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জিনজিয়াং প্রদেশে হোটান বিমানবাহিনী ঘাঁটিও। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

লালফৌজ সেখানেও ব্যাপক সেনা নিয়োগ করেছে। জমায়েত করা হয়েছে প্রচুর পরিমাণে সামরিক সরঞ্জাম।

লাদাখের সেনা ঘাঁটিগুলোর সাপ্লাই লাইন আরও মজবুত করতেই তিব্বতে চীন নজর দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সীমান্তে দুদেশের মধ্যে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলে যাতে দ্রুত ‘ফরওয়ার্ড বেস’-এ রসদ ও সামরিক অস্ত্রশস্ত্র পাঠানো যায়, তার জন্যই এমন কৌশল নিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি।

তিব্বতের বিভিন্ন বড় শহর এবং সীমান্ত এলাকার সেনা ঘাঁটিগুলোর মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি লাসা বিমানবন্দরে সামরিক অবকাঠামো তৈরি করেছে চীন।

ভূমি থেকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, আকাশ-সুরক্ষা প্রযুক্তি, বিমান বাহিনীর সহযোগী এয়ার বেস এবং ১০০টি অ্যাটাক হেলিকপ্টার রাখার জন্য অত্যাধুনিক শেড তৈরি করা হয়েছে।

তবে হোটান বায়ুসেনা ঘাঁটিতে গত কয়েক মাসে তৈরি অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে চীনের বিপুল প্রস্তুতি ভারতকে বেশি উদ্বেগে ফেলেছে।

পিএলএ’র ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের এই ঘাঁটি লাদাখে বিমানবাহিনীর অপারেশনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে চীনের বানানো অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে রানওয়ে, গোলাবারুদের গুদাম ও সাহায্যকারী অবকাঠামো তৈরি।

এ ছাড়া প্রযুক্তিগতও বিপুল পরিবর্তন এনেছে চীনা বাহিনী। উপগ্রহ চিত্র থেকে দেখা যায় অন্তত পাঁচটি নতুন বাঙ্কার তৈরি হয়েছে এই সেনাঘাঁটিতে।

২০২০ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ দুই জনসংখ্যার দেশ ভারত ও চীন সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তারপর সমস্যা সমাধানে ৯ দফা বৈঠক হয়েছে। তাতে কোনো সমাধান সূত্র বের হয়নি।

সেনাসংখ্যা কমানো এবং সেনা অপসারণ করা নিয়ে একমত হতেই পারছে না দুই দেশের সেনাবাহিনী।

ভারতীয় সেনা সূত্র বলছে, সেনা অপসারণ বা ডিসএনগেজমেন্টের কোনো সদিচ্ছাই দেখাচ্ছে না চীন। উল্টো তাদের রাইফেল ডিভিশনের অধীনে সেনা সংখ্যা কয়েক হাজার করে বাড়ানো হচ্ছে।

চীনা বাহিনী পিএলএ প্রতিটি সংঘর্ষ-বিন্দুতে (ফ্রিকশন পয়েন্টে) তাদের সেনাবিন্যাস ঘন ঘন পালটাচ্ছে। ফরোয়ার্ড পোস্টগুলোতে রোটেশনে ডিউটি বদলানো হচ্ছে সেনা সদস্যদের।

সীমান্তে চীনের বিপুল প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত!

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৮:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সীমান্তে চীনের বিপুল প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত!
ছবি: সংগৃহীত

লাদাখ ছাড়াও তিব্বত, অরুণাচল এবং ভুটানের বিতর্কিত সীমান্ত অঞ্চলেও প্রচুর নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে বেইজিং। 

লাদাখ নিয়ে ঘুম হারাম ভারতের বাড়তি উদ্বেগ হয়ে এসেছে তিব্বতের বিভিন্ন এলাকা ও সীমান্তরেখার সেনা ঘাঁটিগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় চীনের বিপুল উন্নতি ঘটানো। 

পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জিনজিয়াং প্রদেশে হোটান বিমানবাহিনী ঘাঁটিও। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের। 

লালফৌজ সেখানেও ব্যাপক সেনা নিয়োগ করেছে। জমায়েত করা হয়েছে প্রচুর পরিমাণে সামরিক সরঞ্জাম।

লাদাখের সেনা ঘাঁটিগুলোর সাপ্লাই লাইন আরও মজবুত করতেই তিব্বতে চীন নজর দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

সীমান্তে দুদেশের মধ্যে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলে যাতে দ্রুত ‘ফরওয়ার্ড বেস’-এ রসদ ও সামরিক অস্ত্রশস্ত্র পাঠানো যায়, তার জন্যই এমন কৌশল নিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি।

তিব্বতের বিভিন্ন বড় শহর এবং সীমান্ত এলাকার সেনা ঘাঁটিগুলোর মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি লাসা বিমানবন্দরে সামরিক অবকাঠামো তৈরি করেছে চীন। 

ভূমি থেকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, আকাশ-সুরক্ষা প্রযুক্তি, বিমান বাহিনীর সহযোগী এয়ার বেস এবং ১০০টি অ্যাটাক হেলিকপ্টার রাখার জন্য অত্যাধুনিক শেড তৈরি করা হয়েছে। 

তবে হোটান বায়ুসেনা ঘাঁটিতে গত কয়েক মাসে তৈরি অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে চীনের বিপুল প্রস্তুতি ভারতকে বেশি উদ্বেগে ফেলেছে। 

পিএলএ’র ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের এই ঘাঁটি লাদাখে বিমানবাহিনীর অপারেশনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

এখানে চীনের বানানো অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে রানওয়ে, গোলাবারুদের গুদাম ও সাহায্যকারী অবকাঠামো তৈরি। 

এ ছাড়া প্রযুক্তিগতও বিপুল পরিবর্তন এনেছে চীনা বাহিনী। উপগ্রহ চিত্র থেকে দেখা যায় অন্তত পাঁচটি নতুন বাঙ্কার তৈরি হয়েছে এই সেনাঘাঁটিতে।

২০২০ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ দুই জনসংখ্যার দেশ ভারত ও চীন সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তারপর সমস্যা সমাধানে ৯ দফা বৈঠক হয়েছে। তাতে কোনো সমাধান সূত্র বের হয়নি। 

সেনাসংখ্যা কমানো এবং সেনা অপসারণ করা নিয়ে একমত হতেই পারছে না দুই দেশের সেনাবাহিনী। 

ভারতীয় সেনা সূত্র বলছে, সেনা অপসারণ বা ডিসএনগেজমেন্টের কোনো সদিচ্ছাই দেখাচ্ছে না চীন। উল্টো তাদের রাইফেল ডিভিশনের অধীনে সেনা সংখ্যা কয়েক হাজার করে বাড়ানো হচ্ছে। 

চীনা বাহিনী পিএলএ প্রতিটি সংঘর্ষ-বিন্দুতে (ফ্রিকশন পয়েন্টে) তাদের সেনাবিন্যাস ঘন ঘন পালটাচ্ছে। ফরোয়ার্ড পোস্টগুলোতে রোটেশনে ডিউটি বদলানো হচ্ছে সেনা সদস্যদের।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : সীমান্তে চীন-ভারত উত্তেজনা