মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড 
jugantor
মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড 

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ১৪:১০:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতা মাহমুদ ইজ্জতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। দেশটির সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র আল-আরহামের বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ করেছে ডেইলি সাবাহ।

৭৬ বছর বয়সী ইজ্জতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসিকে সেনাবাহিনী সরিয়ে দেওয়ার পর জনগণকে সহিংস হওয়ার জন্য উস্কানি দিয়েছিলেন।

আগে ধারণা ছিল তিনি দেশ থেকে পালিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ গত বছরের আগস্টে কায়রো থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার বাসভবন থেকে এনক্রিপ্টেড মেসেজ পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছিল। সেই সব বার্তা তিনি দেশ ও বিদেশের ব্রাদারহুডের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন।

ইজ্জতের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি ব্রাদারহুড সদস্য ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘাতের সময় তার সংগঠনের সদস্যদের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বলেছিলেন। ২০১৫ সালে সাবেক প্রসিকিউটর জেনারেলের হত্যার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ। সাবেক প্রসিকিউটার জেনারেল ছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুড আন্দোলনের বিরোধী।

ইজ্জতের আইনজীবীরা অবশ্য এই রায় সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ব্রাদারহুড আগে জানিয়েছিল, ইজ্জতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে তার অনুপস্থিতিতে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তাকে গ্রেফতারের পর আবার বিচার শুরু হয়।

২০১৩ থেকে গ্রেফতার হওয়া পর্যন্ত সময়কালে তিনি ছিলেন মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান।

মোহাম্মদ বাদির পর ব্রাদারহুডের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা ছিলেন ইজ্জত। মিসরে সিসির সরকার যে ৬০ হাজার রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতার করেছে ইজ্জত তাদের মধ্যে একজন।

মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড 

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ০২:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতা মাহমুদ ইজ্জতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত।  দেশটির সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র আল-আরহামের বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ করেছে ডেইলি সাবাহ।   

৭৬ বছর বয়সী ইজ্জতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসিকে সেনাবাহিনী সরিয়ে দেওয়ার পর জনগণকে সহিংস হওয়ার জন্য উস্কানি দিয়েছিলেন।

আগে ধারণা ছিল তিনি দেশ থেকে পালিয়েছেন।  কিন্তু পুলিশ গত বছরের আগস্টে কায়রো থেকে তাকে গ্রেফতার করে।  তার বাসভবন থেকে এনক্রিপ্টেড মেসেজ পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছিল।  সেই সব বার্তা তিনি দেশ ও বিদেশের ব্রাদারহুডের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন।

ইজ্জতের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি ব্রাদারহুড সদস্য ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘাতের সময় তার সংগঠনের সদস্যদের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বলেছিলেন। ২০১৫ সালে সাবেক প্রসিকিউটর জেনারেলের হত্যার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ।  সাবেক প্রসিকিউটার জেনারেল ছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুড আন্দোলনের বিরোধী।

ইজ্জতের আইনজীবীরা অবশ্য এই রায় সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি।  তবে ব্রাদারহুড আগে জানিয়েছিল, ইজ্জতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।  এর আগে ২০১৫ সালে তার অনুপস্থিতিতে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তাকে গ্রেফতারের পর আবার বিচার শুরু হয়।

২০১৩ থেকে গ্রেফতার হওয়া পর্যন্ত সময়কালে তিনি ছিলেন মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান।

মোহাম্মদ বাদির পর ব্রাদারহুডের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা ছিলেন ইজ্জত।  মিসরে সিসির সরকার যে ৬০ হাজার রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতার করেছে ইজ্জত তাদের মধ্যে একজন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন