ইসরাইলি বর্বরতার প্রতিবাদে জাতিসংঘের সদর দপ্তর ঘেরাও
jugantor
ইসরাইলি বর্বরতার প্রতিবাদে জাতিসংঘের সদর দপ্তর ঘেরাও

  অনলাইন ডেস্ক  

১৩ মে ২০২১, ১২:৪৪:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

জেরুজালেমে পবিত্র আল আকসা মসজিদে হামলা ও গাজায় বেসামরিক লোকজনের ওপর ইসরাইলের নির্বিচার বোমাবর্ষণের প্রতিবাদে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তর ঘেরাও করেছেন বিক্ষোভকারীরা।

ইহুদিবাদী ইসরাইলের এ বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় মানবাধিকার কর্মীরা বুধবার এ বিক্ষোভ দেখান।খবর আনাদোলুর।

তুরস্ক ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে সহস্রাধিক মানবাধিকার কর্মী জাতিসংঘের সদর দপ্তর ঘেরাও করে ইসরাইলবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকেন।

এ সময় তারা ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আরব ও বিশ্ব নের্তৃবৃন্দের রহস্যজনক নীরবতারও কঠোর সমালোচনা করেন।

এতে ওয়েলফেয়ার এন্ড জাস্টিস অ্যাসোসিয়েশন (রেফাহডের), জেনেভাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেভলাপম্যান্ট এবং দ্যা অ্যাসোসিয়েশন অব টরচার ভিকটিমস নামে মানবাধিকার সংস্থার কর্মীরাও যোগ দেন।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আরও ছিলেন, মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা হাসান আল-বান্নার নাতি হানি রামাদান।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, জেরুজালেম তথা ফিলিস্তিনে যেভাবে মানবাধিকার লঙঘন হচ্ছে, এ ব্যাপারে বিশ্ববাসীর এখনই সোচ্চার হওয়া দরকার।

নির্যাতিত মুসলিমদের সঙ্গে আমরা আছি, তারা একা নন।সেখানে মানবাধিকার রক্ষায় যা করা দরকার, তাই আমরা করবো। তারা ইসরাইলকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আখ্যায়ীত করে দ্রুত দেশটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

ইসরাইলি বর্বরতার প্রতিবাদে জাতিসংঘের সদর দপ্তর ঘেরাও

 অনলাইন ডেস্ক 
১৩ মে ২০২১, ১২:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জেরুজালেমে পবিত্র আল আকসা মসজিদে হামলা ও গাজায় বেসামরিক লোকজনের ওপর ইসরাইলের নির্বিচার বোমাবর্ষণের প্রতিবাদে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তর ঘেরাও করেছেন বিক্ষোভকারীরা।

ইহুদিবাদী ইসরাইলের এ বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় মানবাধিকার কর্মীরা বুধবার এ বিক্ষোভ দেখান।খবর আনাদোলুর।

তুরস্ক ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে সহস্রাধিক মানবাধিকার কর্মী জাতিসংঘের সদর দপ্তর ঘেরাও করে ইসরাইলবিরোধী শ্লোগান দিতে থাকেন।

এ সময় তারা ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আরব ও বিশ্ব নের্তৃবৃন্দের রহস্যজনক নীরবতারও কঠোর সমালোচনা করেন।  

এতে ওয়েলফেয়ার এন্ড জাস্টিস অ্যাসোসিয়েশন (রেফাহডের), জেনেভাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেভলাপম্যান্ট এবং দ্যা  অ্যাসোসিয়েশন অব টরচার ভিকটিমস নামে মানবাধিকার সংস্থার কর্মীরাও যোগ দেন।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আরও ছিলেন, মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা হাসান আল-বান্নার নাতি হানি রামাদান।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, জেরুজালেম তথা ফিলিস্তিনে যেভাবে মানবাধিকার লঙঘন হচ্ছে, এ ব্যাপারে বিশ্ববাসীর এখনই সোচ্চার হওয়া দরকার।

নির্যাতিত মুসলিমদের সঙ্গে আমরা আছি, তারা একা নন।সেখানে মানবাধিকার রক্ষায় যা করা দরকার, তাই আমরা করবো। তারা ইসরাইলকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আখ্যায়ীত করে দ্রুত দেশটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ফিলিস্তিনিদের ঘরে ফেরার বিক্ষোভ