দেড় বছর পর চালু হলো কুয়েতের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
jugantor
দেড় বছর পর চালু হলো কুয়েতের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

  সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে  

০৩ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৫৯:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার থেকে কুয়েতে চালু হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সংশ্লিষ্ট সবাই মাস্ক ব্যবহার, শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা ও শ্রেণিকক্ষে এবং বাসে যাতায়াতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতসহ সরকারি সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন।

ছাত্রছাত্রীদের দুই ভাগে বিভক্ত করে সপ্তাহে তিন দিন করে শিক্ষা কার্যক্রম চলবে। এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত, পাকিস্তান ও আমেরিকান স্কুলসহ বিভিন্ন দেশের প্রাইভেট স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হওয়ায় খুশি বাংলাদেশি প্রবাসী ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা।

গত বছর অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চললেও এবার সব ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান শুরু হয়েছে।

কুয়েত ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল স্কুলে শিক্ষিক নাসিমা সরকার বলেন, কুয়েত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে আবার চালু হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। অচিরেই শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে এবং পড়ালেখায় মনোনিবেশ করবে— এমনটিই প্রত্যাশা বাংলাদেশি শিক্ষিকার।

দেড় বছর পর চালু হলো কুয়েতের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

 সাদেক রিপন, কুয়েত থেকে 
০৩ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার থেকে কুয়েতে চালু হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সংশ্লিষ্ট সবাই মাস্ক ব্যবহার, শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা ও শ্রেণিকক্ষে এবং বাসে যাতায়াতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতসহ সরকারি সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন।

ছাত্রছাত্রীদের দুই ভাগে বিভক্ত করে সপ্তাহে তিন দিন করে শিক্ষা কার্যক্রম চলবে। এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত, পাকিস্তান ও আমেরিকান স্কুলসহ বিভিন্ন দেশের প্রাইভেট স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হওয়ায় খুশি বাংলাদেশি প্রবাসী ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা।

গত বছর অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চললেও এবার সব ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান শুরু হয়েছে।

কুয়েত ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল স্কুলে শিক্ষিক নাসিমা সরকার বলেন, কুয়েত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে আবার চালু হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। অচিরেই শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে এবং পড়ালেখায় মনোনিবেশ করবে— এমনটিই প্রত্যাশা বাংলাদেশি শিক্ষিকার।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর