আসিয়ানের সম্মেলনে নেই মিয়ানমারের প্রতিনিধি
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ নভেম্বর ২০২১, ১০:৩৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মিয়ানমারের কোনো প্রতিনিধি সোমবার আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনে ছিলেন না। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এর কারণ জানা যায়নি। মিয়ানমারের সামরিক সরকারের মুখপাত্রকে ফোন করেও সাড়া মেলেনি। বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমার আসিয়ানের কোনো প্রতিনিধিকে অং সান সু চিসহ আটক করা অন্য নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে দেয়নি৷ সে কারণে গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে মিয়ানমারের শাসক জেনারেল মিন অং লায়িংকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সোমবার জানিয়েছেন, তার দেশ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ছোট দেশগুলোর ওপর কর্তৃত্ব করবে না কিংবা তাদের ভয় দেখাবে না। চীন সাগর নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে তিনি এ কথা বলেন।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশের সংস্থা আসিয়ানের সদস্য ফিলিপাইনস, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীনের বিবাদ রয়েছে৷ আসিয়ানের অন্য সদস্যরাষ্ট্রগুলো হচ্ছে কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড।
গত বৃহস্পতিবার চীনের কোস্ট গার্ডের তিনটি জাহাজ ফিলিপাইনের দুটি নৌকার পথ রোধ করে ও তাদের দিকে অনেক জোরে পানি ছুড়ে মারে বলে অভিযোগ উঠেছে৷ ফিলিপাইনের নৌকা দুটি দক্ষিণ চীন সাগরের এক বালুচরে থাকা তাদের সেনাদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে যাচ্ছিল বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
কিন্তু চীনের বাধার কারণে তাদের ফিরে যেতে হয়। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র এই ঘটনাকে ‘বিপজ্জনক, উসকানিমূলক ও অযৌক্তিক' বলে অভিহিত করেছিল।
ফিলিপাইনের নৌকায় সশস্ত্র হামলা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে সক্রিয় করবে বলেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে৷
এ ব্যাপারে সোমবার আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, চীন কখনই ছোট দেশগুলোর উপর কর্তৃত্ব ফলাতে চাইবে না।
তিনি আরও বলেন, চীন সবসময় আসিয়ানের ভালো বন্ধু, প্রতিবেশী ও অংশীদার ছিল, আছে এবং থাকবে।
এদিকে, ফিলিপাইনের নৌকা আটকে দেওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট রডরিগো দুতার্তে আসিয়ান সম্মেলনে বলেছেন, তিনি এই ধরনের বিবাদ ‘ঘৃণা' করেন।
দুতার্তে বলেন, এসব বিবাদ মেটানোর একমাত্র উপায় হচ্ছে আইনের শাসন। এ প্রসঙ্গে তিনি ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক সালিসের দেওয়া এক রায়ের বিষয়টি টেনে আনেন। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীনের দাবির কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।
