ত্রিভুজ প্রেমের পরিণতি, তরুণীকে পেতে বন্ধুকে খুন
jugantor
ত্রিভুজ প্রেমের পরিণতি, তরুণীকে পেতে বন্ধুকে খুন

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ নভেম্বর ২০২১, ২২:৫৩:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বন্ধুকে খুন

এক তরুণীকে ভালোবাসতে চেয়েছেন দুই বন্ধু। তাকে পেতে দুইজনের মধ্যে চলে রেষারেষি। তরুণীর জন্য প্রতিবেশী বন্ধুর হাতে প্রাণ দিতে হয়েছে ইমতিয়াজ শেখ নামে এক যুবককে।

পশ্চিম ২৪ পরগনা জেলার বারইপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন, নুরউদ্দিন লষ্কর ও ইমরান মোল্লা।হত্যার পর ওই যুবককে একটি ডোবার মধ্যে ফেরে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ত্রিকোণ প্রেমের পরিণতি যে এমন ভয়াবহ হবে তা ভাবতেও পারেননি কেউ।

সংবাদ মাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, দুইদিন আগে নিহতের লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু কেন এভাবে খুন হতে হল ইমতিয়াজকে তা ভেবে পাচ্ছিলেন না পরিবারের লোকজন। এদিকে তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে আসে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। শেষ পর্যন্ত পুলিশ পরপর দুজনকে গ্রেফতার করে। প্রথমে নুর উদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে জেরা করে ইমরানের সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানায়, ইমরান মোল্লা খুনের ছক কষেছিলেন। আর এটি বাস্তবায় করতে তিনি নুরউদ্দিনকে সঙ্গে নেন। ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই খুন করা হয় ইমতিয়াজকে। নির্জন বাগানে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে ইমতিয়াজকে।

ত্রিভুজ প্রেমের পরিণতি, তরুণীকে পেতে বন্ধুকে খুন

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ নভেম্বর ২০২১, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বন্ধুকে খুন
প্রতীকী ছবি

এক তরুণীকে ভালোবাসতে চেয়েছেন দুই বন্ধু। তাকে পেতে দুইজনের মধ্যে চলে রেষারেষি। তরুণীর জন্য প্রতিবেশী বন্ধুর হাতে প্রাণ দিতে হয়েছে ইমতিয়াজ শেখ নামে এক যুবককে।  

পশ্চিম ২৪ পরগনা জেলার বারইপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন, নুরউদ্দিন লষ্কর ও ইমরান মোল্লা।হত্যার পর ওই যুবককে একটি ডোবার মধ্যে ফেরে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ত্রিকোণ প্রেমের পরিণতি যে এমন ভয়াবহ হবে তা ভাবতেও পারেননি কেউ। 

সংবাদ মাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, দুইদিন আগে নিহতের লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু কেন এভাবে খুন হতে হল ইমতিয়াজকে তা ভেবে পাচ্ছিলেন না পরিবারের লোকজন। এদিকে তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে আসে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। শেষ পর্যন্ত পুলিশ পরপর দুজনকে গ্রেফতার করে। প্রথমে নুর উদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে জেরা করে ইমরানের সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানায়, ইমরান মোল্লা খুনের ছক কষেছিলেন। আর এটি বাস্তবায় করতে তিনি নুরউদ্দিনকে সঙ্গে নেন। ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই খুন করা হয় ইমতিয়াজকে। নির্জন বাগানে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে ইমতিয়াজকে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন