অ্যাসাঞ্জের মুক্তি চেয়ে বাইডেনকে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের চিঠি
jugantor
অ্যাসাঞ্জের মুক্তি চেয়ে বাইডেনকে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের চিঠি

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ জুলাই ২০২২, ১২:২৮:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপন নথি প্রকাশ করে তোলপাড় সৃষ্টি করা উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মুক্তি চেয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডোর।

এ বিষয়ে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে একটি চিঠিও লিখেছেন বলে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন। খবর আনাদোলুর।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট বলেন, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে বন্দি করে রাখা মানে মানুষের বাকস্বাধীনতাকে অবরুদ্ধ করে রাখা।

তিনি আরও বলেন, আমি ওয়াশিংটন সফরকালে গত ১২ জুলাই বাইডেনের কাছে অ্যাসাঞ্জকে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ করে চিঠি দিয়েছি।

কারণ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করে অ্যাসাঞ্জ কোনো অপরাধ করেননি। তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেননি, কাউকে হত্যা করেননি। তিনি শুধু অন্যের দুর্নীতি প্রকাশ করতেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের আগস্টে এক সুইডিশ নারী অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক অ্যাসাঞ্জ বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ মামলার ‘স্ট্যাচুট অব লিমিটেশন’ অর্থাৎ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম পরিচালনার সময় শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের আগস্টে। কিন্তু ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত বাদ দিয়েছেন সুইডিশ আইনজীবীরা।

বর্তমানে তিনি লন্ডন পুলিশের হেফাজতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মামলার আসামি হিসেবে যুক্তরাজ্যের বেলমার্শ নামক কারাগারে বন্দি আছে

অ্যাসাঞ্জের মুক্তি চেয়ে বাইডেনকে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের চিঠি

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ জুলাই ২০২২, ১২:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপন নথি প্রকাশ করে তোলপাড় সৃষ্টি করা উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মুক্তি চেয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডোর।

এ বিষয়ে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে একটি চিঠিও লিখেছেন বলে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন। খবর আনাদোলুর।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট বলেন, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে বন্দি করে রাখা মানে মানুষের বাকস্বাধীনতাকে অবরুদ্ধ করে রাখা।
 
তিনি আরও বলেন, আমি ওয়াশিংটন সফরকালে গত ১২ জুলাই বাইডেনের কাছে অ্যাসাঞ্জকে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ করে চিঠি দিয়েছি।  

কারণ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করে অ্যাসাঞ্জ কোনো অপরাধ করেননি। তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেননি, কাউকে হত্যা করেননি। তিনি শুধু অন্যের দুর্নীতি প্রকাশ করতেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের আগস্টে এক সুইডিশ নারী অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক অ্যাসাঞ্জ বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ মামলার ‘স্ট্যাচুট অব লিমিটেশন’ অর্থাৎ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম পরিচালনার সময় শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের আগস্টে। কিন্তু ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত বাদ দিয়েছেন সুইডিশ আইনজীবীরা।

বর্তমানে তিনি লন্ডন পুলিশের হেফাজতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মামলার আসামি হিসেবে যুক্তরাজ্যের বেলমার্শ নামক কারাগারে বন্দি আছে

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ