সিরিয়ায় নৌকা ডুবে ৩৪ অভিবাসীর প্রাণহানি
jugantor
সিরিয়ায় নৌকা ডুবে ৩৪ অভিবাসীর প্রাণহানি

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫:৩১:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়ায় নৌকা ডুবে ৩৪ অভিবাসীর প্রাণহানি

লেবানন থেকে যাত্রা করা অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা সিরিয়ার উপকূলে ডুবে গেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪ অভিবাসনপ্রত্যাশী। এ ঘটনায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার সিরিয়ার সরকার এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জীবিত উদ্ধার হওয়া আরও ২০ জনকে তার্তুসের বাসেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সিরিয়ার পরিবহণ মন্ত্রণালয় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে বলেছে— গত মঙ্গলবার লেবাননের উত্তর মিনিয়েহ অঞ্চল থেকে নৌকাটি যাত্রা শুরু করে এবং এটিতে ১২০-১৫০ জনের মতো আরোহী ছিল।

উত্তাল সমুদ্র এবং প্রবল বাতাসের কারণে সৃষ্ট কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই অনুসন্ধান অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন বন্দর মহাপরিচালক সামের কুব্রুসলি।

তার্তুসের গভর্নর আব্দুল হালিম খলিল হাসপাতালে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের দেখতে গেছেন বলে জানা গেছে। অবশ্য ডুবে যাওয়া নৌকায় ঠিক কতজন লোক ছিল এবং তারা ঠিক কোথায় যাচ্ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হওয়া যায়নি। তবে কোস্টগার্ড এখনো মৃতদেহের সন্ধান করছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে বিভিন্ন দেশের মানুষ ছিল। কিছু লেবানিজ, সিরিয়ান এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংকট-বিধ্বস্ত লেবানন থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ক্রমেই বাড়ছে এবং অবৈধ এ যাত্রা পথে এটিই সবচেয়ে মারাত্মক ঘটনা।

অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শুধু লেবাননেই হাজার হাজার লোক তাদের চাকরি হারিয়েছে এবং লেবানিজ পাউন্ডের মূল্য ৯০ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। এ ছাড়া হাজার হাজার পরিবার তাদের ক্রয়ক্ষমতা হারিয়েছে এবং এখন তারা কার্যত চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছে।

সিরিয়ায় নৌকা ডুবে ৩৪ অভিবাসীর প্রাণহানি

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সিরিয়ায় নৌকা ডুবে ৩৪ অভিবাসীর প্রাণহানি
ছবি: সংগৃহীত

লেবানন থেকে যাত্রা করা অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা সিরিয়ার উপকূলে ডুবে গেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪ অভিবাসনপ্রত্যাশী। এ ঘটনায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার সিরিয়ার সরকার এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জীবিত উদ্ধার হওয়া আরও ২০ জনকে তার্তুসের বাসেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সিরিয়ার পরিবহণ মন্ত্রণালয় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে বলেছে— গত মঙ্গলবার লেবাননের উত্তর মিনিয়েহ অঞ্চল থেকে নৌকাটি যাত্রা শুরু করে এবং এটিতে ১২০-১৫০ জনের মতো আরোহী ছিল।

উত্তাল সমুদ্র এবং প্রবল বাতাসের কারণে সৃষ্ট কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই অনুসন্ধান অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন বন্দর মহাপরিচালক সামের কুব্রুসলি।

তার্তুসের গভর্নর আব্দুল হালিম খলিল হাসপাতালে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের দেখতে গেছেন বলে জানা গেছে। অবশ্য ডুবে যাওয়া নৌকায় ঠিক কতজন লোক ছিল এবং তারা ঠিক কোথায় যাচ্ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হওয়া যায়নি। তবে কোস্টগার্ড এখনো মৃতদেহের সন্ধান করছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে বিভিন্ন দেশের মানুষ ছিল। কিছু লেবানিজ, সিরিয়ান এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংকট-বিধ্বস্ত লেবানন থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ক্রমেই বাড়ছে এবং অবৈধ এ যাত্রা পথে এটিই সবচেয়ে মারাত্মক ঘটনা।

অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শুধু লেবাননেই হাজার হাজার লোক তাদের চাকরি হারিয়েছে এবং লেবানিজ পাউন্ডের মূল্য ৯০ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। এ ছাড়া হাজার হাজার পরিবার তাদের ক্রয়ক্ষমতা হারিয়েছে এবং এখন তারা কার্যত চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন