সবচেয়ে দীর্ঘ সময় হিমায়িত ভ্রূণ থেকে যমজ শিশুর জন্ম
jugantor
সবচেয়ে দীর্ঘ সময় হিমায়িত ভ্রূণ থেকে যমজ শিশুর জন্ম

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ নভেম্বর ২০২২, ১৯:২৬:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সবচেয়ে দীর্ঘ সময় হিমায়িত থাকা ভ্রূণ থেকে যমজ শিশুর জন্ম

দীর্ঘ ৩০ বছর হিমায়িত থাকা মানব ভ্রূণ থেকে দুই যমজ শিশুর জন্ম হয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশান সেন্টারে‘ লিডিয়া ও টিমোথি নামে এ দুই শিশুর জন্ম হয়।

সিএনএন জানিয়েছে, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় হিমায়িত থাকা ভ্রূণ। ভ্রূণটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশান সেন্টারে’ সংরক্ষিত ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশান সেন্টারে যে কোনো পুরুষ বা নারী তাদের ভ্রূণ সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। ভবিষ্যতে কোনো দম্পতি চাইলেই সেখান থেকে ভ্রূণের মান, বয়স ও ভ্রূণদাতা সম্পর্কে জেনে ভ্রূণ নিতে পারেন। এ জন্য কোনো অর্থ খরচ করতে হয় না।

ফিলিপ এবং র‍্যাচেলের ইচ্ছা ছিল, ওই রকম হিমায়িত একটি ভ্রূণ থেকে সন্তানের জন্ম দেওয়া। যদিও তাদের ঘরে আগে থেকেই চারটি সন্তান রয়েছে।

র‍্যাচেল জানান, তারা ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশান সেন্টারে গিয়ে জানতে পারেন, সেখানে ১৯৯২ সালের ২২ এপ্রিল থেকে একটি ভ্রূণ সংরক্ষিত রয়েছে। তবে ভ্রূণদাতার নাম তারা জানে না। ফিলিপ-র‍্যাচেল দম্পতি তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেন, ভ্রূণটিকে তারা পৃথিবীর আলো দেখাবেন। যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রূণ নেওয়ার ঘটনা নতুন না হলেও ৩০ বছরের পুরোনো ভ্রূণ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়া নিঃসন্দেহে প্রথম।

এর আগে ২৭ বছর হিমায়িত থাকা একটি ভ্রূণ থেকে ২০২০ সালে জন্ম নিয়েছে গিবসন মলি। তারও আগে মলির বোন এমার জন্ম হয়েছে ২৪ বছর ধরে হিমায়িত থাকা একটি ভ্রূণ থেকে।

সবচেয়ে দীর্ঘ সময় হিমায়িত ভ্রূণ থেকে যমজ শিশুর জন্ম

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ নভেম্বর ২০২২, ০৭:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সবচেয়ে দীর্ঘ সময় হিমায়িত থাকা ভ্রূণ থেকে যমজ শিশুর জন্ম
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ৩০ বছর হিমায়িত থাকা মানব ভ্রূণ থেকে দুই যমজ শিশুর জন্ম হয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশান সেন্টারে‘ লিডিয়া ও টিমোথি নামে এ দুই শিশুর জন্ম হয়।

সিএনএন জানিয়েছে, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় হিমায়িত থাকা ভ্রূণ। ভ্রূণটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশান সেন্টারে’ সংরক্ষিত ছিল। 

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশান সেন্টারে যে কোনো পুরুষ বা নারী তাদের ভ্রূণ সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। ভবিষ্যতে কোনো দম্পতি চাইলেই সেখান থেকে ভ্রূণের মান, বয়স ও ভ্রূণদাতা সম্পর্কে জেনে ভ্রূণ নিতে পারেন। এ জন্য কোনো অর্থ খরচ করতে হয় না। 

ফিলিপ এবং র‍্যাচেলের ইচ্ছা ছিল, ওই রকম হিমায়িত একটি ভ্রূণ থেকে সন্তানের জন্ম দেওয়া। যদিও তাদের ঘরে আগে থেকেই চারটি সন্তান রয়েছে। 

র‍্যাচেল জানান, তারা ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশান সেন্টারে গিয়ে জানতে পারেন, সেখানে ১৯৯২ সালের ২২ এপ্রিল থেকে একটি ভ্রূণ সংরক্ষিত রয়েছে। তবে ভ্রূণদাতার নাম তারা জানে না। ফিলিপ-র‍্যাচেল দম্পতি তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নেন, ভ্রূণটিকে তারা পৃথিবীর আলো দেখাবেন। যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রূণ নেওয়ার ঘটনা নতুন না হলেও ৩০ বছরের পুরোনো ভ্রূণ থেকে সন্তান জন্ম দেওয়া নিঃসন্দেহে প্রথম। 

এর আগে ২৭ বছর হিমায়িত থাকা একটি ভ্রূণ থেকে ২০২০ সালে জন্ম নিয়েছে গিবসন মলি। তারও আগে মলির বোন এমার জন্ম হয়েছে ২৪ বছর ধরে হিমায়িত থাকা একটি ভ্রূণ থেকে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর