একজনকে পুড়িয়ে হত্যায় ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ড
jugantor
একজনকে পুড়িয়ে হত্যায় ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৫ নভেম্বর ২০২২, ১১:৪৮:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

আলজেরিয়ায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ৪৯ জনকে প্রাণদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

তবে এই শাস্তি কমিয়ে আজীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

গত বছর আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ঘটনা ঘটে। এতে ৯০ জনের প্রাণহানি ঘটে।

অগ্নিদগ্ধদের বাঁচাতে গিয়েছিলেন ভুক্তভোগী জামেল বিন ইসমাইল। জঙ্গলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত এসব আসামি ভুলভাবে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে।

বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, আগুন ছড়িয়ে দিতে নয়, বরং দাবানল মোকাবিলায় অন্যদের সহায়তা করতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন জামেল।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত বছরের আগস্টে দাবানল ছড়িয়ে পড়ার পর একটি টুইট করেন ৩৮ বছর বয়সি জামেল বেন ইসমাইল। সেখানে তিনি বলেন, কাবিলি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া দাবানল মোকাবিলায় সহায়তা করতে তিনি তার বাড়ি থেকে ৩২০ কিলোমিটার (২০০ মাইল) দূরে যাবেন। বস্তুত রাজধানী আলজিয়ার্সের পূর্বে অবস্থিত ওই অঞ্চলটিই ছিল দাবানলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা।

তবে কাবিলি অঞ্চল থেকে নিজের এলাকায় ফিরে আসার পরপরই স্থানীয়রা জামেলকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে। সেসময় স্থানীয়রা দাবি করেন, জামেল নিজেই জঙ্গলে আগুন লাগিয়েছেন।

এরপর গত বছরের ১১ আগস্ট সহিংসতার গ্রাফিক ফুটেজ ছড়াতে শুরু করে। যেখানে দেখা যায়, বেন ইসমাইলকে আক্রমণ করা হয়েছে। তাকে নির্যাতন ও পুড়িয়ে হত্যার পর লোকজন তার মরদেহ গ্রামে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয় ওই অঞ্চলে। পরে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়।

তবে আলজেরিয়ায় বর্তমানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ থাকায় দণ্ডপ্রাপ্ত এসব আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

একজনকে পুড়িয়ে হত্যায় ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৫ নভেম্বর ২০২২, ১১:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আলজেরিয়ায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ৪৯ জনকে প্রাণদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

তবে এই শাস্তি কমিয়ে আজীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

গত বছর আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ঘটনা ঘটে। এতে ৯০ জনের প্রাণহানি ঘটে।

অগ্নিদগ্ধদের বাঁচাতে গিয়েছিলেন ভুক্তভোগী জামেল বিন ইসমাইল। জঙ্গলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত এসব আসামি ভুলভাবে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। 

বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, আগুন ছড়িয়ে দিতে নয়, বরং দাবানল মোকাবিলায় অন্যদের সহায়তা করতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন জামেল।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত বছরের আগস্টে দাবানল ছড়িয়ে পড়ার পর একটি টুইট করেন ৩৮ বছর বয়সি জামেল বেন ইসমাইল। সেখানে তিনি বলেন, কাবিলি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া দাবানল মোকাবিলায় সহায়তা করতে তিনি তার বাড়ি থেকে ৩২০ কিলোমিটার (২০০ মাইল) দূরে যাবেন। বস্তুত রাজধানী আলজিয়ার্সের পূর্বে অবস্থিত ওই অঞ্চলটিই ছিল দাবানলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা।

তবে কাবিলি অঞ্চল থেকে নিজের এলাকায় ফিরে আসার পরপরই স্থানীয়রা জামেলকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে। সেসময় স্থানীয়রা দাবি করেন, জামেল নিজেই জঙ্গলে আগুন লাগিয়েছেন।

এরপর গত বছরের ১১ আগস্ট সহিংসতার গ্রাফিক ফুটেজ ছড়াতে শুরু করে। যেখানে দেখা যায়, বেন ইসমাইলকে আক্রমণ করা হয়েছে। তাকে নির্যাতন ও পুড়িয়ে হত্যার পর লোকজন তার মরদেহ গ্রামে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয় ওই অঞ্চলে। পরে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়।

তবে আলজেরিয়ায় বর্তমানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ থাকায় দণ্ডপ্রাপ্ত এসব আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন