জ্বালানি সংকটে ৬ মাসেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার: জামায়াত আমির
Advertisement
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশ দারুণ সংকটের মুখোমুখি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জ্বালানি সংকটে শিল্পখাতে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। ৬ মাসেও জ্বালানি সংকটের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বগুড়া সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের প্রধান রপ্তানি খাত হচ্ছে গার্মেন্টস। এর যে কেন্দ্রীয় বডি বিজিএমইএ, তারা সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে বলেছে–তারা তাদের চাহিদামতো পাওয়ার সাপ্লাই না পাওয়ার কারণে তাদের উৎপাদন ৫০ পারসেন্টের নিচে নেমে এসেছে। উৎপাদন নিচে নেমে গেলে অবশ্যই তারা ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে পারবে না। ব্যাংকের কাছে তারা ঋণ খেলাপি হবে।
তিনি বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে সরকারকে সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। এ কারণেই জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধীদলগুলো লংমার্চের মতো কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছে।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকারের উচিত ছিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জ্বালানি সংকটের বিকল্প ব্যবস্থা বের করা। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টি সরকার শুরুতে অস্বীকার করেছে।
তিনি বলেন, তারা রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু সরকার ক্ষমতাগ্রহণের পর জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে। আমরা গণভোটের পক্ষে ছিলাম, জনগণ সাড়া দিয়েছে, কিন্তু সরকার জনগণের কাছে দেওয়া ওয়াদা বর খেলাপ করেছে। গণভোটের রায় অমান্য করেছে। জনগণের রায়কে অসম্মান করার শক্তি আমাদের কারও নেই।
বগুড়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ভৌগোলিকভাবে বগুড়া উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। একসময় বগুড়াকে ‘মিনি শিল্পনগরী’ বলা হতো। কিন্তু স্বাধীনতার পর এখানে শিল্পায়নের কাঙ্ক্ষিত বিকাশ ঘটেনি। বগুড়া কেন এত অবহেলিত আমি জানি না। আমরা চাই বগুড়া তার ন্যায্য পাওনা ফিরে পাক।
