Logo
Logo
×
   

Advertisement

সাহিত্য

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলামের চিরবিদায়

Advertisement

Icon

‎সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলামের চিরবিদায়

Advertisement

‎বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আমীরুল ইসলাম আর নেই। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে তিনি চিরবিদায় নিয়েছেন। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার ভাই কামাল আহমেদ বাচ্চু।

‎আজ শুক্রবার শ্রদ্ধা নিবেদন, তিন দফা জানাজার পর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরে সমাহিত করা হবে আমীরুল ইসলামকে। 

‎চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে বাদ জুমা দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে তার প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বিকেল ৩টায় তার মরদেহ বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউস প্রাঙ্গণে রাখা হওয়ার কথা। সেখানে বিকেল সাড়ে ৩টায় দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বাংলা একাডেমি থেকে মিরপুরের গোলারটেক যাওয়ার পথে বাংলামোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ১৫ মিনিটের জন্য রাখা হবে তার মরদেহ। পরে মিরপুরের গোলারটেক ঈদগাহ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় জানাজা। জানাজা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরে তাকে সমাহিত করা হবে।

‎১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে মূলত শিশুদের জন্য ছড়া, গল্প ও সৃজনশীল রচনা লিখেছেন তিনি। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। এসব বইয়ের প্রায় সবই শিশুসাহিত্যভিত্তিক।

‎তিনি ছিলেন বাংলা একাডেমির ফেলো এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের স্থাপনা-সদস্য। শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।

‎আমীরুল ইসলামের চাচা হাবীবুর রহমান ছিলেন খ্যাতনামা শিশুসাহিত্যিক। সবচেয়ে কম বয়সে ‘খামখেয়ালি’ ছড়াগ্রন্থের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি আয়োজিত অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

‎এ ছাড়া সিকান্দার আবু জাফর সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৪), নুরুল কাদের শিশুসাহিত্য পুরস্কার (২০০৩), পদক্ষেপ সাহিত্য পুরস্কার (২০০৫), ছোটদের পত্রিকা পুরস্কার (২০০৭), ছোটদের মেলা পুরস্কার (২০০৯-১০), জাতীয় ছড়া উৎসব সম্মাননা (২০১১), শামসুর রাহমান সাহিত্য পুরস্কার (২০১১) এবং অন্নদাশঙ্কর সাহিত্য পুরস্কার (২০১২)সহ বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।

‎গণমাধ্যমেও ছিল সরব উপস্থিতি

‎সাহিত্যের পাশাপাশি দীর্ঘদিন গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। আমৃত্যু চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

‎বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত কিশোর-তরুণদের উৎকর্ষধর্মী মাসিক ‘আসন্ন’-এর প্রায় ১০ বছর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলার প্রথম চার রঙা কিশোর পাতা সম্পাদনার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। ‘সাপ্তাহিক’-এর প্রকাশকও ছিলেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম